তার মতে, শিশুদের ব্যবহারের পণ্যগুলোতে সিসার উপস্থিতি নিয়মিত পরীক্ষা করা দরকার।
লেদ মেশিনে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে ৮ বছর বয়সী রিফাত। রোজ ১৫০ টাকা মজুরিতে কাজ করে সে। দ্বিতীয় শ্রেণিতেই থেমে গেছে তার শিক্ষাজীবন। ছবিটি নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে তোলা।
মোটর যানবাহন মেরামত বা অটোমোবাইল ওয়ার্কশপে কাজে ব্যস্ত তিন শিশু। তারা কেউই এখন আর স্কুলে যায় না। ছবিটি নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে তোলা। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘জাতীয় শিশুশ্রম জরিপ-২০২২’ বলছে, অটোমোবাইল খাতে শ্রমজীবী শিশুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
দুই পা ছাড়াই জন্ম মূসার। ১৩ বছরের এই শিশুকে রাজধানীর সৈনিক ক্লাব এলাকায় ভিক্ষা করতে দেখা যায়।
বালিশ নেই, বিছানাও নেই। ফুটব্রিজের শক্ত পাটাতনেই ঘুমিয়ে আছে দুই শিশু। নিচ দিয়ে গাড়ি ছুটছে, পাশ দিয়ে মানুষ হেঁটে যাচ্ছে। তবু কোনো অভিযোগ নেই, যেন ঘুমানোর জায়গাটুকুই তাদের চাওয়া। ছবিটি খুলনার দৌলতপুর থেকে তোলা।
হোটেলের চেয়ার-টেবিলে নয়, বাইরে বসে খাবার খাচ্ছে এক হরিজন শিশু, পাশে তার বাবা-মা। আলাদা গ্লাসে পানি, আলাদা পাত্রে খাবার এবং অন্যদের পাশে বসতে না পারার মত বিষয়গুলো এখনো তাদের জীবনের অংশ। ছবিটি কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকা থেকে তোলা।