শিশু হিসেবে আমার একটাই দাবি, ঢাকার বায়ুদূষণ সংকট থেকে আমাদের দ্রুত রক্ষা করুন।
Published : 02 Dec 2025, 07:32 PM
রাজধানী ঢাকায় আছি এক বছরেরও বেশি সময় ধরে। তবে আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা সবুজে মোড়া মেহেরপুর শহরে।
শৈশব-কিশোরের দিনগুলো মনে পড়লেই কল্পনায় ভেসে ওঠে নিরিবিলি আর শান্ত একটি শহরের দৃশ্য, যেখানে বাইরে গেলে নির্মল বাতাসের স্পর্শ পেতাম।
তবে ঢাকায় এসে সেই অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ বদলে গেছে। বাসা থেকে বের হলেই দুর্গন্ধ আর ধুলায় ভরা অস্বাস্থ্যকর বাতাস যেন প্রতিদিনের সঙ্গী। এর সঙ্গে অসহনীয় যানজট ও শব্দদূষণের খড়গ তো আছেই।
মাঝে মাঝেই মনে হয়, ঢাকার দূষিত বায়ু প্রতিদিন আমাদের দেহ আর মনকে ধীরে ধীরে জটিলতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মফস্বলে থাকলে যতটা সুস্থ থাকা সম্ভব, এই শহরে সেটা অকল্পনীয়।
মেহেরপুরে যখন বাইরে বের হতাম, যে বাতাস শরীরে লেগে থাকত তা ছিল সম্পূর্ণ মুক্ত ও স্বস্তিদায়ক। কিন্তু ঢাকায় এসে প্রথমবার বুঝেছি, যে বাতাসে আমি শ্বাস নিচ্ছি তা মোটেও শুদ্ধ নয়, বরং ক্লান্তিকর ও অসহনীয়। যতক্ষণ বাইরে থাকি, শরীরে ক্লান্তি ও অস্বস্তি তত বেশি ভর করে। অনেক সময় শ্বাসেও চাপ অনুভূত হয়।
একজন শিশু হিসেবে আমার একটাই দাবি ও আন্তরিক আহবান, ঢাকার বায়ুদূষণ সংকট থেকে আমাদের দ্রুত রক্ষা করুন। বায়ুদূষণ বন্ধে রাষ্ট্র যেন কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা গ্রহণ করে। নির্মল বাতাস আমাদের জন্মগত অধিকার, এটি আমাদের ভবিষ্যতের জন্যও অপরিহার্য।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৭। জেলা: ঢাকা।