বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলছে, কোনো দুশ্চিন্তা বা সমস্যায় পড়লে বিশ্বাসযোগ্য কারও সঙ্গে কথা বলা কিশোর-কিশোরীদের মানসিকভাবে ভালো থাকতে সাহায্য করে।
Published : 11 Oct 2026, 04:00 PM
পড়াশোনার চাপ, বন্ধুদের মাঝে মনোমালিন্য কিংবা পারিবারিক কারণসহ নানা কারণে মন খারাপ হতে পারে। এমন সময় নিজের অনুভূতিগুলো একা একা চেপে না রেখে বিশ্বাসযোগ্য কারও সঙ্গে কথা বলা উপকারী হতে পারে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলছে, কোনো দুশ্চিন্তা বা সমস্যায় পড়লে বিশ্বাসযোগ্য কারও সঙ্গে কথা বলা কিশোর-কিশোরীদের মানসিকভাবে ভালো থাকতে সাহায্য করে।
পরিবার, বন্ধু বা স্বাস্থ্যকর্মীর মত বিশ্বাসযোগ্য মানুষের সঙ্গে নিজের অনুভূতি নিয়ে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
তাহলে মন খারাপ হলে কার সঙ্গে কথা বলা যায়?
প্রথমে মা-বাবা, ভাই-বোন বা পরিবারের এমন কোনো সদস্যের সঙ্গে কথা বলা যেতে পারে, যার কাছে নিজের কথা বলতে স্বস্তি লাগে। কাছের বন্ধু, শিক্ষক বা অন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য বড় মানুষের সঙ্গেও কথা বলা যায়।
ইউনিসেফও কিশোর ও তরুণদের নিজেদের অনুভূতি ও সমস্যার কথা বিশ্বাসযোগ্য মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
কথা বলার সময় সব সমস্যার সমাধান সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যাবে, এমন নয়। তবে নিজের মনের কথা কাউকে জানালে প্রয়োজনের সময় সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। কথা বলার মানুষটি যদি মন দিয়ে শোনে তাহলে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
ডব্লিউএইচও বলছে, কেউ যদি দীর্ঘ সময় খুব মন খারাপ, উদ্বিগ্ন, ক্লান্ত বা অসহায় বোধ করে কিংবা নিজেকে সামলাতে না পারে, তাহলে স্বাস্থ্যকর্মী বা মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীর সাহায্য নেওয়া উচিত।
তাই মন খারাপ হলে নিজেকে একা মনে না করে এমন একজন মানুষের কাছে যাওয়া উচিত, যিনি বিশ্বাসযোগ্য, নিরাপদ এবং মন দিয়ে কথা শুনবেন। সাহায্য চাওয়া দুর্বলতার লক্ষণ নয়। নিজের অনুভূতি নিয়ে কথা বলাও নিজের যত্ন নেওয়ার একটি উপায়।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৫। জেলা: কিশোরগঞ্জ।