ইউনিসেফের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বজুড়ে প্রায় ৮০ কোটি শিশুর রক্তে সিসার মাত্রা উদ্বেগজনক।
Published : 30 Sep 2026, 03:10 PM
সিসাদূষণের কারণে বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ১ লাখ কোটি ডলার সমমূল্যের উৎপাদনশীলতা নষ্ট হয়। বিশ্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ শিশুর বাস দক্ষিণ এশিয়ায়। তাই এ অঞ্চলের শিশুরা সিসাদূষণের কারণে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।
ইউনিসেফের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বজুড়ে প্রায় ৮০ কোটি শিশুর রক্তে সিসার মাত্রা উদ্বেগজনক। এর প্রায় অর্ধেক শিশুর বাস দক্ষিণ এশিয়ায়।
অতিরিক্ত জনসংখ্যা, দ্রুত নগরায়ণ, শিল্পায়ন এবং ক্ষতিকর রাসায়নিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতার কারণে এ অঞ্চলের শিশুরা সিসাদূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে।
সিসা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতি করতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কে। কারণ, শিশুদের মস্তিষ্ক তখনো বেড়ে ওঠে।
সিসার কারণে শিশুদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হতে পারে। রক্তশূন্যতা ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে তাদের বুদ্ধিবৃত্তি, মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতাও কমে যেতে পারে।
সিসার সংস্পর্শে থাকা শিশুরা পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়তে পারে। এতে তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগও কমে যায়। ভবিষ্যতে তারা বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও পড়তে পারে।
দরিদ্র পরিবারের শিশুরা সিসাদূষণের কারণে আরও বেশি ঝুঁকিতে থাকতে পারে। সিসাদূষণ শুধু শিশুদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার ক্ষতি করে না, এটি একটি দেশের উৎপাদনশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেও বাধা তৈরি করতে পারে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৩। জেলা: রংপুর।