একসময় এই অঞ্চল পরিচিত ছিল সিংহজানী নামে। পরে ইসলাম ধর্মপ্রচারক শাহজামাল ইয়ামানির নামের সূত্র ধরেই এর নাম হয় জামালপুর।
Published : 30 Sep 2026, 02:25 PM
প্রতিটি জেলার নামের পেছনে থাকে ইতিহাস, ঐতিহ্য আর জনশ্রুতির এক সমৃদ্ধ গল্প। তেমনি জামালপুর নামকরণের ইতিহাসে জড়িয়ে আছে সুফি সাধক ও ধর্মপ্রচারক হযরত শাহজামালের (র.) আগমন ও তার আধ্যাত্মিক প্রভাব।
একসময় এই অঞ্চল পরিচিত ছিল সিংহজানী নামে। পরে ইসলাম ধর্মপ্রচারক শাহজামাল ইয়ামানির নামের সূত্র ধরেই এর নাম হয় জামালপুর।
হযরত শাহজামাল (রহ.) মাজারের খাদেম মো. এনামুল হাসান হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “দিল্লির সম্রাট আকবরের শাসনামলে হযরত শাহ জামাল ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে ইয়েমেন থেকে এই অঞ্চলে আসেন। তার নামেই পরবর্তীতে এই জেলার নামকরণ হয়।”
জাতীয় তথ্য বাতায়ন থেকে জানা যায়, এই অঞ্চলে এসে হযরত শাহ জামাল ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে আস্তানা স্থাপন করেন। ধীরে ধীরে তার আধ্যাত্মিক জ্ঞান ও ক্ষমতার কথা মুঘল দরবার, অর্থাৎ দিল্লির সম্রাট আকবরের কাছে পৌঁছে যায়।
তখন বাদশা আকবর হযরত শাহজামালের (র.) খানকার ব্যয়ভার বহনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনি সিংহজানির অধীনে কয়েকটি পরগনা পীরপাল দানের সনদ পাঠান।
অর্থাৎ কিছু এলাকার আয় পীরের খানকার খরচের জন্য বরাদ্দ দিয়ে আনুষ্ঠানিক দলিল দেওয়া হয়েছিল।
তবে সুফি দরবেশ হযরত শাহ জামাল এই লোভনীয় প্রস্তাব বিনয়ের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেন। ধারণা করা হয়, পরবর্তীতে তার নামের সূত্র ধরেই এই অঞ্চলের নাম জামালপুর হয়ে ওঠে।
প্রতিবেদক: সামিহা নুজহাত, মুহাম্মাদ রাফিন, মো. সাফিয়ান হাসান, হাফসা জান্নাত হাফসা, খনদকার তাসনিয়া নূর (১৩), মীম আক্তার (১৪), নওশীন জাহান (১৫), সাবেকুন্নাহার (১৬), জামালপুর।