গবেষণায় অংশ নেওয়া ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ শিশু যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার কথা জানায়।
Published : 26 Oct 2026, 05:26 PM
গৃহকর্মে যুক্ত হওয়ার কারণে শিশুদের পড়াশোনা, বিশ্রাম ও খেলাধুলার সুযোগ কমে যায়। পাশাপাশি, তারা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ঝুঁকিতে থাকে। গবেষণাতেও শিশু গৃহকর্মীদের এমন দুরবস্থার চিত্র উঠে এসেছে।
বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের (বিএসএএফ) ২০১৬ সালের এক গবেষণায় দেশের বিভিন্ন শহরের ১ হাজার ২৩০ জন শিশু গৃহকর্মীর পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হয়।
গবেষণায় অংশ নেওয়া শিশুদের ৫৩ দশমিক ৭ শতাংশ জানায়, তারা নিয়োগকর্তার হাতে শারীরিক শাস্তির শিকার হয়েছে।
প্রায় ৫৭ শতাংশ শিশু মানসিক নির্যাতনের অভিজ্ঞতার কথা জানায়। এ ছাড়া, ৫০ দশমিক ২ শতাংশ শিশু নিয়োগকর্তার পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে দুর্ব্যবহারের শিকার হয়েছে।
গবেষণায় অংশ নেওয়া ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ শিশু যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার কথা জানায়।
অন্যদিকে, প্রায় ৮০ শতাংশ শিশু গৃহকর্মীকে প্রতিদিন ১৪ থেকে ১৮ ঘণ্টা কাজ করতে হত।
শিশু গৃহকর্মীদের ওপর নির্যাতন শনাক্ত করাও কঠিন হতে পারে। কারণ, বাড়ির ভেতরে কী ঘটছে, তা সব সময় বাইরের মানুষের পক্ষে জানা সম্ভব হয় না।
এ ছাড়া, নিয়োগকর্তার বাড়িতে থেকে কাজ করা কোনো শিশু পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ কম পেলে কিংবা চাকরি হারানোর ভয়ে নির্যাতনের কথা জানাতে না পারলে তার দুর্ভোগ দীর্ঘায়িত হতে পারে। এভাবে নির্যাতনের ঘটনা আড়ালেই থেকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৭। জেলা: ঢাকা।