উঁচু নিচু পাহাড়ি পথ, কাদা, পাথর আর ঝিরিপথ পেরিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা হাঁটার পর দূর থেকে কানে আসে ঝরে পড়া পানির শব্দ।
Published : 22 Sep 2026, 11:00 AM
কয়েক মাস আগে রোমাঞ্চের খোঁজে হামহাম জলপ্রপাতে ঘুরতে যাই। প্রকৃতির সৌন্দর্য আর ঝর্ণার শীতল পানির ছোঁয়ায় এক দারুণ অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরেছিলাম আমরা।
বন্ধুদের নিয়ে ছিল এই অভিযান। আমরা প্রথমে সিলেট থেকে ট্রেনে চড়ে শ্রীমঙ্গল যাই। এরপর শ্রীমঙ্গল থেকে ‘চান্দের গাড়িতে’ চড়ে রওনা হই কলাবন পাড়ার দিকে। পথ জুড়ে সবুজ চা বাগান আর পাহাড়ি প্রকৃতির সৌন্দর্য আমাদের মুগ্ধ করে চলল।
কলাবন পাড়ায় পৌঁছে শুরু হয় আসল অভিযান। স্থানীয় একজন গাইডকে সঙ্গে নিয়ে হাতে বাঁশের লাঠিসহ আমরা ঢুকে পড়ি রাজকান্দি সংরক্ষিত বনের ভেতর। উঁচু নিচু পাহাড়ি পথ, কাদা, পাথর আর ঝিরিপথ পেরিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা হাঁটার পর দূর থেকে কানে আসে ঝরে পড়া পানির শব্দ। তখনই বুঝতে পারি, হামহাম আর বেশি দূরে নয়।
কিছুক্ষণ পর চোখের বিশাল হামহাম জলপ্রপাতের সামনে দেখা মেলে। যেন পাহাড়ের বুক চিরে ধবধবে সাদা জলধারা নেমে আসছে প্রবল বেগে। এই দৃশ্য দেখতেই মুহূর্তের মধ্যে সব ক্লান্তি দূর হয়ে গেল।
এরপর ঝর্ণার পাদদেশের প্রাকৃতিক জলাধারে নেমে পড়ি আমরা। সেখানে সাঁতার, জলকেলি আর ছবি তোলায় কেটে যায় আমাদের পুরোটা সময়।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: সিলেট।