পূর্বপুরুষদের ব্যবহৃত মাটির তৈরি জিনিস, বিশাল কাঠের সিন্দুক ও পালকি দেখে মনে হল আমরা যেন কয়েকশ বছর পেছনে চলে গিয়েছি।
Published : 09 May 2026, 09:12 PM
অনেক দিন থেকে আমার সোনারগাঁওয়ের লোক ও কারুশিল্প জাদুঘরে ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু নানা কারণে যাওয়া হয়ে উঠছিল না। অনেক কাঠ-খড় পুড়িতে শেষমেশ কয়েক মাস আগে সেখানে যাওয়ার সুযোগ হয় আমার।
আমার বোনের বাসা জাদুঘরের কাছাকাছি। আপুর বাসায় ঘুরতে যাওয়ার সুবাদেই জাদুঘরে যাওয়াটা সহজ হয়ে যায়। আমার বোনের বাসা থেকে জাদুঘরের দূরত্ব ৪০০ মিটারের মত৷
যেদিন প্রথন জানলাম আমরা নারায়ণগঞ্জে আপুর বাসায় যাচ্ছি সেদিন থেকেই আমার ভেতরে এক অন্যরকম আনন্দ কাজ করছিল।
আমরা সেখানে ছিলাম দুই দিন। আমরা যেদিন নারায়ণগঞ্জ পৌঁছাই তার ঠিক পরের দিনই জাদুঘরে যাই।
ঘুরতে যাওয়ার দিনটি অনেক আনন্দের ছিল। আমরা সবাই টিকিট কেটে জাদুঘরে প্রবেশ করি। ঢুকেই চোখে পড়ে বিশাল এক প্রাসাদ, মানুষের কাছে শুনলাম এর নাম ‘বড় সরদার বাড়ি’।
কারুকাজ খচিত লাল আর সাদা রঙের দালানটি দেখে মনে হচ্ছিল, কোনো রাজা বা জমিদার এই বুঝি বারান্দায় এসে দাঁড়াবেন!
বাড়িটির সামনে রয়েছে একটি বড় দীঘি। এই দীঘির সামনে আমি অনেক ছবি তুলি।
জাদুঘরের ভেতরে কাঁচের বাক্সে সাজানো আছে আমাদের দেশের নানা ঐতিহ্যবাহী জিনিস। পূর্বপুরুষদের ব্যবহৃত মাটির তৈরি জিনিস, বিশাল কাঠের সিন্দুক ও পালকি দেখে মনে হল আমরা যেন কয়েকশ বছর পেছনে চলে গিয়েছি।
জাদুঘর এরিয়ার ভেতরে একটি সুন্দর লেক রয়েছে। সেখানে আমরা বোটে চড়েছি।
প্রায় ঘণ্টাখানেক ঘোরাঘুরি করে আমরা বাসায় ফিরি।
জাদুঘরে ঘোরার এই অভিজ্ঞতাটি আমাকে আমাদের পূর্বপুরুষদের জীবনযাপন সম্পর্কে জানতে সাহায্য করেছে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৫। জেলা: শেরপুর।