অনলাইনে অপমান বা হয়রানির শিকার হলেও শিশুর মনে ভয়, লজ্জা ও একাকিত্ব তৈরি হতে পারে।
Published : 13 Oct 2026, 02:15 PM
বিদ্যালয়ে সহপাঠীকে নিয়ে হাসাহাসি করা, অপমান করা, ভয় দেখানো কিংবা ইচ্ছা করে দল থেকে দূরে রাখাই বুলিংয়ের উদাহরণ। এমন আচরণ বারবার ঘটলে তা শিশুর মনে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট স্টপবুলিং ডটগভ- এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুলিংয়ের শিকার শিশুর মধ্যে উদ্বেগ, মন খারাপ ও আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দিতে পারে।
এর ফলে কেউ কেউ বন্ধুদের এড়িয়ে চলে, স্কুলে যেতে ভয় পায় কিংবা পড়াশোনায় মনোযোগ হারায়।
অনলাইনে অপমান বা হয়রানির শিকার হলেও শিশুর মনে ভয়, লজ্জা ও একাকিত্ব তৈরি হতে পারে। নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনা কাউকে বলতে না পারলে তার কষ্ট আরও বাড়তে পারে।
তবে বুলিংয়ের শিকার হলেই সব শিশুর একই ধরনের সমস্যা হবে, এমন নয়। পরিবারের সদস্য, শিক্ষক ও বন্ধুদের সহানুভূতি এবং সহযোগিতা শিশুকে পরিস্থিতি সামলাতে সাহায্য করতে পারে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৪। জেলা: গাজীপুর।