২০ বছরের কম বয়সী মায়েদের সন্তানদের কম ওজন নিয়ে জন্ম, সময়ের আগে জন্ম এবং গুরুতর নবজাতক জটিলতার ঝুঁকিও বেশি।
Published : 22 Sep 2026, 08:16 PM
কৈশোরে গর্ভধারণ হলে মা ও শিশুর দুজনেরই কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকি তুলনামূলক বেশি থাকে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচও বলছে, ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী মায়েদের এক্ল্যামসিয়া, প্রসবের পর জরায়ুর প্রদাহ বা সংক্রমণ এবং অন্যান্য সিস্টেমিক সংক্রমণের ঝুঁকি ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীদের তুলনায় বেশি।
ঝুঁকি শুধু মায়ের ক্ষেত্রে নয়। ২০ বছরের কম বয়সী মায়েদের সন্তানদের কম ওজন নিয়ে জন্ম, সময়ের আগে জন্ম এবং গুরুতর নবজাতক জটিলতার ঝুঁকিও বেশি।
২০২৫ সালের এপ্রিলে ডব্লিউএইচও নতুন একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করে, যেখানে কিশোরীদের অল্প বয়সে গর্ভধারণ এবং এর ফলে তৈরি হওয়া স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানোর উপায় তুলে ধরা হয়েছে।
এতে বাল্যবিয়ে বন্ধ, মেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ এবং যৌন ও প্রজননস্বাস্থ্য বিষয়ে তথ্য ও সেবার সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তাই কৈশোরে মা হওয়ার বিষয়টি শুধু বয়সের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। এর সঙ্গে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং নিরাপদ মাতৃত্বেরও সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: ঢাকা।