বিশ্বব্যাংক ও আইসিআরডব্লিউ’র বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দেশে বাল্যবিয়ে বন্ধ হলে বছরে প্রায় ৪৮০ কোটি ডলার অতিরিক্ত আয় ও উৎপাদনশীলতা তৈরি হতে পারে।
Published : 30 Sep 2026, 01:55 PM
বাল্যবিয়ে শুধু একটি মেয়ের জীবনেই প্রভাব ফেলে না, পরিবার ও দেশের অর্থনীতিতেও এর প্রভাব দেখতে পাওয়া যায়।
শৈশবে বিয়ে হলে অনেক মেয়ের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে পরে দক্ষতা অর্জন, কাজ পাওয়া এবং আয় করার সুযোগও কমে যেতে পারে।
বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা আইসিআরডব্লিউর এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাল্যবিয়ের কারণে মেয়েদের পড়াশোনা কমে যাওয়ায় প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে তাদের সম্ভাব্য আয় গড়ে প্রায় ৯ শতাংশ কমতে পারে।
অন্যদিকে, মেয়েরা পড়াশোনা করে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পেলে তাদের আয় বাড়ার সম্ভাবনাও বাড়ে। এতে পরিবার যেমন উপকৃত হয়, তেমনি অর্থনীতিতেও তাদের অবদান বাড়তে পারে।
বিশ্বব্যাংক ও আইসিআরডব্লিউ’র বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দেশে বাল্যবিয়ে বন্ধ হলে বছরে প্রায় ৪৮০ কোটি ডলার অতিরিক্ত আয় ও উৎপাদনশীলতা তৈরি হতে পারে।
জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফও বলছে, মেয়েদের শিক্ষা ও দক্ষতার সুযোগ বাড়লে তাদের আয় বাড়তে পারে এবং অর্থনীতিতে অবদানও বাড়তে পারে।
তাই বাল্যবিয়ে কমানো শুধু সামাজিক দায়িত্ব নয়। মেয়েদের পড়াশোনা ও কাজের সুযোগ বাড়িয়ে দেশের মানবসম্পদকে আরও ভালোভাবে কাজে লাগানোর পথও তৈরি করতে পারে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৪। জেলা: রংপুর।