সিসার সংস্পর্শে রক্তস্বল্পতা ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল হওয়ার মতো সমস্যাও হতে পারে।
Published : 22 Sep 2026, 06:00 PM
সিসা একটি বিষাক্ত ধাতু। শিশুদের শরীরে সিসা ঢুকলে তাদের মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হতে পারে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, সিসার সংস্পর্শে শিশুদের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা কমে যেতে পারে, মনোযোগের সময় কমতে পারে এবং শেখার সমস্যা ও আচরণগত সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
ইউনিসেফ বলছে, শিশুদের মস্তিষ্ক ও শরীরের অঙ্গগুলো তখনও বিকশিত হয়। তাই অল্প পরিমাণ সিসার দীর্ঘমেয়াদি সংস্পর্শও তাদের শেখা, আচরণ ও সামগ্রিক বিকাশে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। সিসার সংস্পর্শে রক্তস্বল্পতা ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল হওয়ার মতো সমস্যাও হতে পারে।
বাংলাদেশেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। ২০২৫ সালের মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভের পরীক্ষায় ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ৩৮ দশমিক ৩ শতাংশের রক্তে প্রতি ডেসিলিটারে ৫ মাইক্রোগ্রাম বা তার বেশি সিসার মাত্রা পাওয়া গেছে।
তবে সিসার সংস্পর্শজনিত ক্ষতি প্রতিরোধযোগ্য। তাই শিশুদের সিসার সংস্পর্শের উৎস কমানো গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৭। জেলা: ঢাকা।