জায়েদা শারমিন বলেন, এ কারণে বাল্যবিয়ে নারীর ক্ষমতায়ন ও নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগকে বাধাগ্রস্ত করে।
Published : 10 Oct 2026, 08:00 AM
বাল্যবিয়ের পর কিশোরীদের নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ কমে যায় বলে মনে করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক জায়েদা শারমিন।
হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সঙ্গে আলাপচারিতায় এই শিক্ষক বলেন, বাল্য বয়সে একটি শিশু নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার মত অবস্থায় থাকে না। সাধারণত এ বয়সে বাবা-মায়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করেই তাকে চলতে হয়।
তিনি বলেন, বাল্যবিয়ের ক্ষেত্রে মেয়েটির বিয়ে সম্পর্কে নিজের কোনো ধারণা বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকে না। বিয়ের পরও শ্বশুর-শাশুড়ি বা পরিবারের অন্য বড়দের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে চলতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে স্বামীর সিদ্ধান্তের ওপরও তাকে নির্ভর করতে হয়।
জায়েদা শারমিন বলেন, এ কারণে বাল্যবিয়ে নারীর ক্ষমতায়ন ও নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগকে বাধাগ্রস্ত করে। একটি মেয়ের নিজের মতামত ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা তৈরি করতে তাকে পড়াশোনা ও বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দিতে হবে।
তিনি বলেন, একটি মেয়ে আত্মনির্ভরশীল হলে নিজের মতামত তৈরি করতে পারে এবং নিজের জীবনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাও বাড়ে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: সিলেট।