মাসুদ বলেন, “বাল্যবিয়ে নিয়ে আমাদের যে রাষ্ট্রীয় নীতিমালা আছে, ইসলামের সাথে কিন্তু এটার খুব দ্বন্দ্ব নাই।”
Published : 02 Dec 2025, 09:31 PM
দল রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দেশের প্রচলিত বিয়ের বয়সসীমাই বহাল রাখবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
সোমবার শিশু অধিকার বিষয়ে ইউনিসেফের প্রণীত ইশতেহারে সই করার পর শিশু সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি মাসুদ বলেন, “ইউনিসেফের সব অঙ্গীকারের সঙ্গে আমরা আন্তরিকভাবে একাত্মতা ঘোষণা করেছি।”
শিশুর সামাজিক সুরক্ষা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাসহ ১০টি অঙ্গীকারে সই করার পর তার কাছে বাল্যবিয়ে নিয়ে দলের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়।
এ সময় মাসুদ বলেন, “বাল্যবিয়ে নিয়ে আমাদের যে রাষ্ট্রীয় নীতিমালা আছে, ইসলামের সাথে কিন্তু এটার খুব দ্বন্দ্ব নাই। ছেলে-মেয়েদের যে বয়স নির্ধারণ করা আছে আমরা সেটাকেই কার্যকর করার জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করব।”
যোগ করে তিনি বলেন, “বরং এই নিয়মের মধ্যেও ২০, ২৫, ৩০ বছর পর্যন্ত হয়ে যাচ্ছে সেখানেও কিন্তু নারী ও পুরুষের বিবাহ নীতিটা আমরা অনুসরণ করতে পারছি না। এটা যদি ইসলামের সঙ্গে সমন্বয় করা যায় তাহলে এই সংকট আমরা দ্রুতই কাটিয়ে ফেলতে পারব।”
শিশুশ্রম বিষয়ে প্রশ্ন করলে মাসুদ বলেন, “ঢাকার ছিন্নমূল শিশুদের জন্য গত ছয় মাসে আমরা ৩৬ লাখ টাকা ব্যয় করেছি। রাষ্ট্রক্ষমতার সুযোগ পেলে এই বরাদ্দ কয়েকগুণ বাড়াতে পারব। সমাজে সামগ্রিক পরিবর্তন এলে শিশুশ্রম স্বাভাবিকভাবেই কমবে।”
কন্যাশিশুর নিরাপত্তা বিষয়ে তিনি বলেন, “ইসলামের মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হলেই নারী এবং শিশুর অধিকার নিশ্চিত হবে।”
একটি হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “নারী ও শিশুকে একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কারও ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। আমরা এমন একটি রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্যেই কাজ করছি।”
প্রতিবেদক: ফারাবি জাবিন সায়েরি, তাইয়্যেবা তাসনিম সায়মা, মেহেদী হাসান বুলবুল (১৭), ঢাকা।