মুক্তিযুদ্ধের এই স্মৃতি ধরে রাখতে ১৯৯৬ সালে প্রথম সরকারি উদ্যোগে বধ্যভূমিটি চিহ্নিত করে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
Published : 28 Sep 2026, 11:35 AM
স্বাধীনতার জন্য মানুষের আত্মত্যাগ ও পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মমতার সাক্ষী হয়ে আছে টাঙ্গাইল জেলা সদর পানির ট্যাংকের পাশে থাকা বধ্যভূমিটি। একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মানুষকে ধরে এনে এখানে হত্যা করত।
মুক্তিযুদ্ধের এই স্মৃতি ধরে রাখতে ১৯৯৬ সালে প্রথম সরকারি উদ্যোগে বধ্যভূমিটি চিহ্নিত করে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০০৯ সাল থেকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখানে শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। পরে ২০১৯ সালে বধ্যভূমিটি সংরক্ষণ ও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সংরক্ষণের অংশ হিসেবে বধ্যভূমির দেয়ালে টেরাকোটার মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতন, অত্যাচার ও হত্যাযজ্ঞের বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে শহীদদের স্মরণে লেখা কবিতাও স্থান পেয়েছে।
শুক্রবার বধ্যভূমিতে গিয়ে কথা হয় দুই মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে। তাদের একজনের বাবা একাত্তরে এই বধ্যভূমিতেই নিহত হন। তারা বধ্যভূমির বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখার সময় মুক্তিযুদ্ধের সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করেন।
স্মৃতি জড়ানো এই জায়গাটির বর্তমান অবস্থা নিয়ে অবশ্য তাদের আক্ষেপ রয়েছে। তাদের মতে, মুক্তিযুদ্ধের এই স্মৃতিচিহ্নটি যথাযথভাবে সংরক্ষণে নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা উচিত।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৪। জেলা: টাঙ্গাইল।