নিজের জীবন দেখে তিনি সিদ্ধান্ত নেন যেভাবেই হোক সন্তানদের পড়াশোনা করাবেন তিনি।
Published : 26 Sep 2026, 06:40 PM
বাসাবাড়িতে কাজ করে নিজের মেয়েকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়িয়েছেন কুলসুম। তিনি রাজধানীর মিরপুরে থাকেন।
কুলসুম জানান, শৈশবে তার বাবা তাদেরকে ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তিনি ও তার মা ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় চলে আসেন।
এরপর সংসারের অভাব মেটাতে বিভিন্ন বাসাবাড়িতে কাজ করতেন কুলসুমের মা। পাশাপাশি মেয়েকে পড়াশোনা করানোরও চেষ্টা করেন। তবে অভাবের কারণে থেমে যায় কুলসুমের শিক্ষাজীবন। এরপর ১১ বছর বয়সেই তাকে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়।
হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “আমার পড়ালেখা করার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু সুযোগ পাইনি। পড়ালেখার সুযোগ পেলে আমি হয়ত আজ অফিসে চাকরি করতে পারতাম।”
কুলসুম এক ছেলে ও এক মেয়ের মা। নিজের জীবন দেখে তিনি সিদ্ধান্ত নেন যেভাবেই হোক সন্তানদের পড়াশোনা করাবেন তিনি।
বলেন, “আমি তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছি। বাংলা পড়তে পারি। আমার স্বামী কোনো লেখাপড়াই করেননি। তাই ইচ্ছে আছে ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা করাব।”
মেয়েকে অল্প বয়সে বিয়েও দেননি তিনি। জানান, প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর তার মেয়ের বিয়ে হয়েছে এবং বর্তমানে চাকরিও করছে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১২। জেলা: ঢাকা।