পাহাড়ি পথ পেরিয়ে স্কুলে যেতে কারও এক ঘণ্টা, আবার কারও দুই থেকে তিন ঘণ্টাও লেগে যায়।
Published : 29 Sep 2026, 07:00 AM
আমি জেলা শহরে থাকি। তবে শহরের বাইরে পাহাড়ি ও দূরের এলাকাগুলোতে অনেক শিশুকে পড়াশোনা করতে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।
অনেকের বাড়ি থেকে স্কুল অনেক দূরে। পাহাড়ি পথ পেরিয়ে স্কুলে যেতে কারও এক ঘণ্টা, আবার কারও দুই থেকে তিন ঘণ্টাও লেগে যায়। কোথাও ছোট ছোট নদীও পার হতে হয়।
প্রতিদিন এতটা পথ যাতায়াত করা সহজ নয়। বিশেষ করে বর্ষার সময় পথ আরও কঠিন হয়ে যায়। কোথাও রাস্তা ভালো থাকে না, আবার কোথাও নিয়মিত যানবাহনের ব্যবস্থাও থাকে না। তখন শিশুদের স্কুলে যাওয়া নিয়ে, বিশেষ করে মেয়েদের নিয়ে পরিবারের দুশ্চিন্তা বাড়ে।
আমি দেখেছি, এখানকার অনেক পরিবার মেয়েদের পড়াশোনা করাতে চায়। কিন্তু স্কুল যদি অনেক দূরে হয়, তখন নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে তারা চিন্তায় পড়ে যায়।
মেয়েটি এত দূর একা যাবে কি না, পথে কোনো সমস্যা হবে কি না, সময়মতো বাড়ি ফিরতে পারবে কি না, এসব ভাবনা থাকে। এ কারণে স্কুল দূরে হলে কেউ কেউ মেয়েদের পড়াতে চায় না।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: রাঙামাটি।