জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ বলছে, বয়স বাড়ার সঙ্গে বাংলাদেশে স্কুল থেকে ঝরে পড়া বাড়ে।
Published : 18 Aug 2026, 08:55 AM
একটি শিশুর বিয়ে হয়ে গেলে তার জীবন অনেকটাই বদলে যায়। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে তার শিক্ষাজীবনেও।
উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের প্রকাশিত একটি লেখায় বলা হয়েছে, বিয়ের পর নতুন শ্বশুরবাড়ির চাপ এবং ঘরের কাজ ও সন্তান লালনপালনের দায়িত্ব মেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পথে বাধা হতে পারে।
এছাড়া একটি গবেষণাতেও বাল্যবিয়ে ও পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার সম্পর্ক উঠে এসেছে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের এটি রানী এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ওয়ারদাতুল আকমাম নওগাঁর মান্দা উপজেলার ভর্ষো গ্রামের ১৩১ জনের তথ্য নিয়ে গবেষণাটি করেন।
২০২২ সালে প্রকাশিত ওই গবেষণায় দেখা যায়, অধিকাংশ উত্তরদাতার পড়াশোনা ছাড়ার প্রধান কারণ ছিল অল্প বয়সে বিয়ে। গবেষকেরা বাল্যবিয়েকে মেয়েদের পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়ার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
অন্যদিকে, জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ বলছে, বয়স বাড়ার সঙ্গে বাংলাদেশে স্কুল থেকে ঝরে পড়া বাড়ে। মেয়েদের ক্ষেত্রে এর একটি কারণ বাল্যবিয়ে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, বিবাহিত মেয়েরা অবিবাহিত মেয়েদের তুলনায় স্কুলের বাইরে থাকার সম্ভাবনায় চার গুণেরও বেশি।
অর্থাৎ, বাল্যবিয়ের সঙ্গে মেয়েদের শিক্ষাজীবন থেমে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। তাই বিয়ের বয়স পিছিয়ে দেওয়া মেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ ধরে রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৪। জেলা: রংপুর।