Hello
UNICEF
  • হোম
  • হ্যালো
  • খবরাখবর
  • অন্য চোখে
  • আমার কথা
  • কথায় কথায়
  • ছবির ভাষা
  • সব খবর
English English
  • হোম
  • হ্যালো
  • খবরাখবর
  • অন্য চোখে
  • আমার কথা
  • কথায় কথায়
  • ছবির ভাষা
  • সব খবর
বাংলাদেশ

তথ্য ফাঁস করায় আলকাছকে ‘এলিমিনেট’ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন জিয়াউল, জবানবন্দিতে সাব্বির

“আলকাছ বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে তার স্ত্রীকে জিয়া স্যার ডেকে পাঠিয়েছেন মর্মে জানিয়ে বের হয়ে যান। পরে আলকাছের সাথে আর যোগাযোগ হচ্ছে না। তিনি কোথাও তাকে খুঁজে পাচ্ছেন না।”

তথ্য ফাঁস করায় আলকাছকে ‘এলিমিনেট’ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন জিয়াউল, জবানবন্দিতে সাব্বির

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 18 Sep 2026, 02:09 AM

Updated : 18 Sep 2026, 02:52 AM

র‍্যাবের ‘গলফ অপারেশনে’ ট্রলার চালানো মাঝিদের অন্যতম ছিলেন আলকাছ মাঝি। ওই অভিযান সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য বলে বেড়ানোর কথা তুলে ধরে সেসময় আলকাছকে ‘এলিমিনেট’ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান জিয়াউল আহসান বলে জবানবন্দিতে দাবি করেছেন আরেক সেনা কর্মকর্তা সাব্বির রহমান ওসমানী।

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সাব্বির বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার জবানবন্দি দিচ্ছিলেন।

আদালতে তার দাবি, “ঘটনা প্রবাহের একপর্যায়ে আনুমানিক জুন ২০১১-তে হঠাৎ করেই একদিন মোবাইল ফোনে জিয়া স্যারের কল পাই। তিনি ফোন করে তার গলফ কাজে নিয়োগপ্রাপ্ত মাঝিদের মধ্যে অন্যতম আলকাছ মাঝির ব্যাপারে আমার কাছে জানতে চান।”

জবাবে আলকাছের বিষয়ে তার কিছু জানার কথা নয় বলে জিয়াউলকে জানান সাব্বির।

আলকাছকে নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ও বেতন-ভাতা দেওয়ার বিষয়টি র‍্যাব-৮-এ সংযুক্ত ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা দেখভাল করতেন বলেও জিয়াউলকে অবহিত করেন তিনি।

এরপর জিয়াউল বলেন, “আলকাছ মাঝি গলফ অপারেশন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য চরদুয়ানী বাজারে বলে বেড়াচ্ছে,যা র‍্যাবের জন্য নিরাপত্তা ঝুঁকি হয়ে দেখা দিয়েছে।”

এ কথা বলে আলকাছ মাঝিকে ‘এলিমিনেট’ করতে তাকে নির্দেশ দেন বলে জবানবন্দিতে দাবি করেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা সাব্বির।

বিষয়টি শোনার পর শারীরিক অসুস্থতার অজুহাত দিয়ে ওই দায়িত্ব পালন থেকে অব্যাহতি চেয়ে কাকুতি-মিনতি করতে থাকেন বলে ভাষ্য তার।

“ঘটনার এই পর্যায়ে তিনি কি মনে করে বললেন, ‘থাক লাগবে না’।”

জিয়া ফোন রেখে দেওয়ার পরপরই ঘটনাটি তার অধিনায়ককে জানান বলে জবানবন্দিতে বলেন সাব্বির।

‘গলফ অপারেশনে’ আলকাছ

গলফ অভিযানে আলকাছের ভূমিকা সম্পর্কে সাব্বির বলেন, “জিয়া স্যারের গলফ অপারেশন পরিচালনার সময় যে সকল মাঝি বোট চালিয়ে যেত তাদের মধ্যে আলকাছ মাঝি ছিল অন্যতম। যে কয়বার জিয়া স্যারের সাথে আমি গলফ অভিযানে যেতে বাধ্য হয়েছিলাম সেই কয়বারের মধ্যে অধিকাংশ সময় আমি আলকাছকে মাঝি হিসাবে দেখেছিলাম।”

এসব অভিযানে মানুষকে ট্রলারে করে নিয়ে যাওয়া এবং পরে তাদের ‘হত্যা করে’ পানিতে ফেলে দেওয়ার বর্ণনাও জবানবন্দিতে তুলে ধরেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।

২০১০ সালের জানুয়ারির একটি রাতের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, “আনুমানিক দুই ঘণ্টা ত্রিশ মিনিট গাড়ি চলার পর আমরা পাথরঘাটাস্থ চরদুয়ানী ঘাটে গিয়ে পৌঁছাই। সেখানে পূর্ব থেকেই র‍্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের র‍্যাব-৮-এ সংযুক্ত র‍্যাব সদস্যরা একটি ট্রলার প্রস্তুত করে রেখেছিল।”

সাব্বিরের জবানবন্দি অনুযায়ী, হাত বাঁধা ও মাথায় কালো টুপি পরানো একজনকে ট্রলারে তোলা হয়। এরপর মোহনার দিকে গিয়ে পানির গভীরতা মাপা হয়।

পরে জিয়াউলের নির্দেশে ওই ব্যক্তির গলায় ও পায়ে সিমেন্ট ভর্তি বস্তা বাঁধা হয়। মাথা ও কান বরাবর ছোট বালিশ ঠেকিয়ে গুলি করার পর পেট কেটে সিমেন্টের বস্তাসহ পানিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে জবানবন্দিতে দাবি করেন তিনি।

ফেরার পথে জিয়াউল আহসান বলেন, “এরা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর। এদের না থাকাই ভালো। এভাবেই এদেরকে গলফ করতে হবে।”

এরপরই তিনি প্রথম এ ধরনের অভিযান ‘গলফ অপারেশন’ হিসেবে পরিচিত বলে জানতে পারেন তিনি।

তার জবানবন্দি অনুযায়ী, ২০১০ সালের মে মাসেও একই ধরনের আরেকটি অভিযানে চারজনকে হাত বাঁধা ও মাথায় কালো টুপি পরানো অবস্থায় ট্রলারে তোলা হয়। পরে একই প্রক্রিয়ায় তাদের হত্যা করে পানিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে দাবি সাব্বিরের।

এসব ‘গলফ অপারেশন’ পরিচালনার সময় ট্রলার চালানো মাঝিদের মধ্যে আলকাছ মাঝিও ছিলেন বলে জবানবন্দিতে তুলে ধরেন তিনি।

আলকাছের আর খোঁজ মেলেনি

আলকাছকে ‘এলিমিনেট’ করার নির্দেশ পাওয়ার আনুমানিক এক সপ্তাহ পর অধিনায়ক সাব্বিরকে নিজের অফিসে ডেকে নেন এবং সেখানে থাকা ব্যক্তিদের আলকাছের পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন বলে জবানবন্দিতে তুলে ধরেন তিনি।

আলকাছের পরিবারের সদস্যদের র‍্যাব-৮ এ আসার কারণ জানতে চাইলে তার স্ত্রী বলেছিলেন, “৪/৫ দিন আগে আলকাছকে মোবাইলে ফোন দিয়ে জিয়া স্যারের কথা বলে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। আলকাছ বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে তার স্ত্রীকে জিয়া স্যার ডেকে পাঠিয়েছেন মর্মে জানিয়ে বের হয়ে যান। পরবর্তীতে আলকাছের সাথে আর যোগাযোগ হচ্ছে না। তিনি কোথাও তাকে খুঁজে পাচ্ছেন না।”

বিষয়টি শোনার পর আলকাছের পরিণতি সম্পর্কে নিজের এবং অধিনায়কের বুঝতে কোনো অসুবিধা হয়নি বলে জবানবন্দিতে তুলে ধরেন সাব্বির।

সাব্বির বলেন, তার অধিনায়ক আলকাছকে খোঁজার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন বলে তার স্ত্রীকে তখন বলেছিলেন।

এ বিষয়ে জবানবন্দিতে সাবেক এই মেজর বলেন, “একই সাথে আমার অধিনায়ক, যেহেতু আলকাছ ইন্টেলিজেন্স উইং এর সাথে কাজ করতো, তাই তার পরিবারকে আলকাছের নিখোঁজের বিষয়টি র‍্যাব সদরদপ্তরেও জানানোর পরামর্শ দেন।”

সবশেষে আলকাছের পরিবারকে কিছুটা আর্থিক সহায়তা করে বিদায় দেওয়া হয়েছিল বলে জবানবন্দিতে বলেন তিনি।

  • মানবতাবিরোধী অপরাধ
  • আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
  • জবানবন্দি
  • জিয়াউল আহসান
  • র‍্যাব, গলফ অপারেশন
  • সাব্বির রহমান ওসমানী
এ সম্পর্কিত খবর
সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে নেমে শাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু
সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে নেমে শাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু
‘জীবনের শেষ পেইন্টিং এটা, পারলে যত্ন করে রেখে দিও’
‘জীবনের শেষ পেইন্টিং এটা, পারলে যত্ন করে রেখে দিও’
ডিজিটাল টিকেটিংয়ের মাধ্যমে পরিবহনব্যবস্থাকে সহজ করতে হবে: ফাহমিদা
ডিজিটাল টিকেটিংয়ের মাধ্যমে পরিবহনব্যবস্থাকে সহজ করতে হবে: ফাহমিদা
গ্যাস নিয়ে আশা দিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র
গ্যাস নিয়ে আশা দিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র

Follow us:

  • হ্যালো
  • লিঙ্গ সমতা
  • জলবায়ু পরিবর্তন
  • ইতিহাস
  • খবরাখবর
  • ছবির ভাষা
  • শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন
  • ক্যারিয়ার
  • অন্য চোখে
  • স্বাস্থ্য ও পুষ্টি
  • ভিডিও
  • শিক্ষাঙ্গন
  • আমার কথা
  • বাল্যবিয়ে
  • তারকা শিশু
  • বিশ্বজুড়ে
  • কথায় কথায়
  • শিশুশ্রম
  • সাময়িকী
  • সব খবর

Copyright © 2026, bdnews24