বিশ্বব্যাংকের একটি অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাংলাদেশে বাল্যবিয়ে বন্ধ হলে যারা বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে, তাদের আয় ও উৎপাদনশীলতা প্রায় ১১ দশমিক আট-পাঁচ শতাংশ বাড়তে পারে।
Published : 03 Sep 2026, 11:41 AM
দারিদ্র্য অনেক সময় বাল্যবিয়ের ঝুঁকি বাড়ায়। আবার বিয়ের কারণে মেয়েটির পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেলে শিক্ষা, দক্ষতা ও ভালো কাজের সুযোগ কমে যেতে পারে। এভাবেই দারিদ্র্য থেকে বের হওয়ার পথ আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকায় করা ২০২৫ সালের একটি গবেষণা আন্তর্জাতিক গবেষণা জার্নাল পিএলওএস ওয়ান জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
ঢাকার ধামরাই উপজেলার ৫১৫টি পরিবার থেকে ৫১৫ জন কিশোর-কিশোরী ও ৫১৫ জন অভিভাবকসহ মোট ১ হাজার ৩০ জন এতে অংশ নেয়। গবেষণার আলোচনায় বলা হয়েছে, বাল্যবিয়ে, কম শিক্ষা ও দারিদ্র্য পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি দুষ্টচক্র তৈরি করতে পারে।
বিশ্বব্যাংকের একটি অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাংলাদেশে বাল্যবিয়ে বন্ধ হলে যারা বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে, তাদের আয় ও উৎপাদনশীলতা প্রায় ১১ দশমিক আট-পাঁচ শতাংশ বাড়তে পারে। সব নারীকে হিসাবের মধ্যে ধরলে সম্ভাব্য বৃদ্ধি ৪ দশমিক পাঁচ-আট শতাংশ।
অর্থাৎ, বাল্যবিয়ে শুধু দারিদ্র্যের একটি ফল নয়। এটি শিক্ষা ও আয়ের সুযোগ কমিয়ে সেই দারিদ্র্যকে আরও দীর্ঘ করতে পারে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: ঢাকা।