তবে সিসাদূষণের ঝুঁকি সম্পর্কে মানুষকে জানানো হলে সচেতনতা বাড়ানো সম্ভব।
Published : 02 Sep 2026, 08:32 PM
সিসা চোখে দেখা যায় না, কিন্তু এর প্রভাব শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হতে পারে। বাংলাদেশে এই দূষণের ঝুঁকি থাকলেও এ নিয়ে মানুষের সচেতনতা এখনও সীমিত।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিবিএস ও ইউনিসেফের যৌথভাবে পরিচালিত ২০২৫ সালের মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে বা এমআইসিএসের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ৩৮ দশমিক ৩ শতাংশের রক্তে সিসার মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে ৫ মাইক্রোগ্রামের ওপরে। ঢাকায় এ হার ৬৫ শতাংশ।
তাহলে এই ঝুঁকি সম্পর্কে মানুষ কতটা জানে?
আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্যবিষয়ক জার্নাল ‘বিএমসি পাবলিক হেলথ’-এ ২০২৪ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় সিলেট, টাঙ্গাইল, খুলনা ও পটুয়াখালীর ব্যবহৃত ব্যাটারি পুনর্ব্যবহার কেন্দ্রের আশপাশের ৭৩২ জন কিশোর-কিশোরী ও অভিভাবক অংশ নেন।
তবে সিসাদূষণের ঝুঁকি সম্পর্কে মানুষকে জানানো হলে সচেতনতা বাড়ানো সম্ভব।
পরিবেশ ও স্বাস্থ্যবিষয়ক জার্নাল ‘এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চে’ ২০২১ সালে প্রকাশিত আরেক গবেষণায় দেখা যায়, সিসাদূষণ নিয়ে সচেতনতা কার্যক্রমে অংশ নেওয়া দলের সিসা সম্পর্কে জানার হার নয় মাস পর অন্য দলের তুলনায় ৫২ শতাংশ পয়েন্ট বেশি ছিল।
তাই সিসাদূষণ থেকে নিরাপদ থাকতে এর উৎস নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মানুষকে ঝুঁকি সম্পর্কে জানানোও জরুরি।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৪৷ জেলা: গাজীপুর।