তিনি বলেন, কোনো কিশোরীর বাল্যবিয়ে হলে তার শিক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা অনেকটাই শ্বশুরবাড়ির পরিবারের হাতে চলে যায়।
Published : 28 Sep 2026, 01:45 PM
মেয়েদের পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়ার অন্যতম কারণ বাল্যবিয়ে। এর ফলে অনেক কিশোরী শিক্ষাজীবন শেষ করতে পারে না বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রভাষক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সঙ্গে আলাপচারিতায় নারী শিক্ষার গুরুত্ব এবং বাল্যবিয়ে কীভাবে শিক্ষার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তা নিয়ে কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, কোনো কিশোরীর বাল্যবিয়ে হলে তার শিক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা অনেকটাই শ্বশুরবাড়ির পরিবারের হাতে চলে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শ্বশুরবাড়ির মানুষ বিয়ের পর পুত্রবধূর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আগ্রহী থাকে না।
কোনো পরিবার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিলেও কিশোরীর জন্য তা সহজ হয় না বলে জানান তিনি। কারণ, পড়াশোনার জন্য প্রয়োজনীয় সময়, পরিবেশ ও মানসিক স্বস্তি অনেক সময় সে পায় না। বিয়ের পর পারিবারিক নানা দায়িত্বও তার ওপর এসে পড়ে।
তিনি বলেন, এসব কারণে অনেক কিশোরীর পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যায়, পরীক্ষার ফল খারাপ হতে থাকে। একপর্যায়ে তারা পড়াশোনায় আগ্রহ হারিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে ঝরে পড়ে।
তার মতে, বাল্যবিয়ে হলে একজন মেয়ের ভবিষ্যৎ জীবন গড়ে তোলার অনেক সুযোগ সীমিত হয়ে যায়। একই সঙ্গে বাল্যবিয়ে তার কৈশোরও কেড়ে নেয়।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: ঢাকা।