বায়ুদূষণের প্রভাব শুধু ঢাকার শিশুদের ফুসফুসেই সীমাবদ্ধ নয়।
Published : 01 Sep 2026, 06:29 PM
ঢাকার বাতাসে দূষণ এখন নিত্যদিনের সঙ্গী। এই বাতাসে বড়দের পাশাপাশি শ্বাস নিচ্ছে শিশুরাও। তবে শিশুদের ফুসফুস এখনো বিকাশের মধ্যে থাকায় দূষিত বাতাসে তারা বেশি ঝুঁকিতে থাকে।
২০১৩ সালে ঢাকার তিনটি স্কুলের ৯ থেকে ১৬ বছর বয়সী ৩১৫ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে একটি গবেষণা করা হয়। যা ২০১৯ সালে মহামারি ও জনস্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণা জার্নাল ‘এপিডেমিওলজি’তে প্রকাশিত হয়।
এতে দেখা যায়, বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণা বা পিএম ২ দশমিক ৫-এর মাত্রা বাড়ার পরদিন শিশুদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার সম্পর্ক রয়েছে।
গবেষণায় দেখা যায়, বাতাসে পিএম ২ দশমিক ৫ প্রতি ঘনমিটারে ১০ মাইক্রোগ্রাম বাড়লে শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা নিয়ে জরুরি বিভাগে যাওয়ার হার শূন্য দশমিক আট-চার শতাংশ বাড়ার সম্পর্ক রয়েছে।
এই গবেষণায় শিশু ও বয়স্কদের ওপর বায়ুদূষণের প্রভাব তুলনামূলক বেশি পাওয়া গেছে।
বায়ুদূষণের প্রভাব শুধু ঢাকার শিশুদের ফুসফুসেই সীমাবদ্ধ নয়। ইউনিসেফ ও হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউটের ‘স্টেট অব গ্লোবাল এয়ার ২০২৪’ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে বাংলাদেশে বায়ুদূষণের সঙ্গে সম্পর্কিত রোগে পাঁচ বছরের কম বয়সী ১৯ হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
ইউনিসেফ বলছে, শিশুদের শরীর এখনো বিকাশের মধ্যে থাকায় বায়ুদূষণের ক্ষতি তাদের ওপর বেশি হতে পারে। বড়দের তুলনায় শিশুরা দ্রুত শ্বাস নেয় এবং শরীরের ওজনের তুলনায় বেশি বাতাস গ্রহণ করে। ফলে দূষিত বাতাসের ক্ষতিকর উপাদান তাদের শরীরে তুলনামূলক বেশি পরিমাণে প্রবেশ করতে পারে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: ঢাকা।