এতে ২০ জন শিশু-কিশোর অংশ নেয়। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আমিও একজন ছিলাম।
Published : 12 Sep 2026, 11:21 AM
আমার জেলায় দুই দিনব্যাপী শিশু সাংবাদিকতার কর্মশালার আয়োজন করেছিল শিশু সাংবাদিকতায় বিশ্বের প্রথম বাংলা সাইট হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।
এতে ২০ জন শিশু-কিশোর অংশ নেয়। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আমিও একজন ছিলাম।
এই কর্মশালা থেকে আমি অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। আমাদের চারপাশে প্রতিদিন অনেক ঘটনা ঘটে। কিন্তু সব ঘটনাই গণমাধ্যমে প্রকাশের মত খবর নয়। কর্মশালায় আমরা শিখেছি কোনটি খবর আর কোনটি খবর নয়।
এ ছাড়া কোনো তথ্য সঠিক কি না, তা কীভাবে যাচাই করতে হয়, সে বিষয়েও জেনেছি। খবরের জন্য তথ্য সংগ্রহের বিভিন্ন উপায় এবং ছবি ও ভিডিও সংগ্রহের কলাকৌশলও শিখেছি।
কর্মশালাকে আনন্দময় করতে একটি খেলার আয়োজন করা হয়েছিল। তবে খেলাটিও ছিল আমাদের শেখার অংশ। এই খেলার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পেরেছি, একজনের কাছ থেকে আরেকজনের কাছে তথ্য যাওয়ার সময় কীভাবে তা পরিবর্তিত বা বিকৃত হতে পারে।
দুই দিনের এই কর্মশালা আমাকে অনেক বিষয়ে সচেতন করেছে। আমি শিশু অধিকার সনদ সম্পর্কেও ধারণা পেয়েছি।
এ ছাড়া সমাজের বিভিন্ন সমস্যা কীভাবে চিহ্নিত করতে হয় এবং সেসব সমস্যা প্রতিরোধে মানুষকে কীভাবে সচেতন করা যায়, সে বিষয়েও আমরা শিখেছি। যেমন নদীভাঙন, বাল্যবিয়ে ও ইভটিজিংসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা।
কর্মশালা শেষে আমার মনে হয়েছে, একজন শিশু সাংবাদিক শুধু খবর লেখে না, সমাজের নানা সমস্যা তুলে ধরে মানুষের সচেতনতা বাড়াতেও ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: ভোলা।