জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ বলছে, ১৮ বছরের আগে বিয়ে হলে সেটিকে বাল্যবিয়ে বলা হয়।
Published : 16 Aug 2026, 10:44 AM
একটি মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলে শুধু তার পারিবারিক পরিচয়ই বদলায় না, বদলে যেতে পারে তার পড়াশোনা, স্বাস্থ্য আর ভবিষ্যতের অনেক সিদ্ধান্তও। তাই অল্প বয়সে বিয়ের বিষয়টি নিয়ে এতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়।
জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ বলছে, ১৮ বছরের আগে বিয়ে হলে সেটিকে বাল্যবিয়ে বলা হয়।
সংস্থাটির মতে, বিয়ে শিশুদের অধিকার লঙ্ঘন করে এবং এর ফলে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ কমে যায়। বাল্যবিয়ের শিকার মেয়েদের অল্প বয়সে গর্ভধারণের ঝুঁকিও বেশি থাকে।
স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি আরও স্পষ্ট করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা- ডব্লিউ-এইচ-ও।
সংস্থাটি বলছে, ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোরী মায়েদের গর্ভাবস্থা ও প্রসবের সময় কিছু জটিলতার ঝুঁকি ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীদের তুলনায় বেশি। এর মধ্যে এ-ক্ল্যাম্প-সিয়া ও প্রসব-পরবর্তী জরায়ুর সংক্রমণের মতো জটিলতা রয়েছে।
শুধু স্বাস্থ্য নয়, বিয়ের পর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে। জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল ইউ-এন-এফ-পিএ বলছে, বাল্যবিয়ে মেয়েদের শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সুযোগ সীমিত করতে পারে।
তাই ১৮ বছরের আগে বিয়ে না করার বিষয়টি শুধু একটি বয়সের হিসাব নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি শিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অধিকার এবং ভবিষ্যৎ।
বাল্যবিয়ে ঠেকানো মানে একটি শিশুকে শুধু বিয়ে থেকে দূরে রাখা নয়, তাকে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৭। জেলা: খুলনা।