বাল্যবিয়েকে তাই শুধু একটি সামাজিক সমস্যা হিসেবে না দেখে খাদ্য ও পুষ্টির সঙ্গেও এর সম্পর্ক বিবেচনা করার আহ্বান জানান তিনি।
Published : 28 Sep 2026, 01:30 PM
কৈশোরে গর্ভধারণের ফলে মায়ের পাশাপাশি নবজাতকেরও অপুষ্টির ঝুঁকি থাকে বলে জানান শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টি টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ওয়াহিদুজ্জামান।
হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এই শিক্ষক বলেন, কৈশোরে মেয়েদের শারীরিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টি প্রয়োজন। এ সময়ে গর্ভধারণ করলে নিজের পাশাপাশি সন্তানের পুষ্টির চাহিদাও পূরণ করতে হয়।
তার ভাষ্য, "কৈশোরে একজন মেয়ের প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার থেকে ২ হাজার ৪০০ কিলোক্যালরি খাবারের প্রয়োজন হয়। গর্ভধারণের পর এই চাহিদা আরও বাড়ে। কিন্তু আগে থেকেই অপুষ্টিতে ভুগলে বাড়তি পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।"
বিশেষ করে আয়রনের ঘাটতি কিশোরী মায়েদের জন্য বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে বলে জানান ওয়াহিদুজ্জামান।
তিনি বলেন, গর্ভাবস্থায় মায়ের পাশাপাশি গর্ভের সন্তানেরও আয়রনের চাহিদা বেড়ে যায়। ফলে মায়ের শরীরে পর্যাপ্ত পুষ্টি না থাকলে মা ও সন্তান দুজনই অপুষ্টির ঝুঁকিতে পড়ে।
তিনি আরও বলেন, এর ফলে কম ওজন নিয়ে সন্তান জন্ম নেওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। জন্মের পর শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশেও এর প্রভাব পড়তে পারে।
বাল্যবিয়েকে তাই শুধু একটি সামাজিক সমস্যা হিসেবে না দেখে খাদ্য ও পুষ্টির সঙ্গেও এর সম্পর্ক বিবেচনা করার আহ্বান জানান তিনি।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: সিলেট।