জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল- ইউএনএফপি-এ বলছে, বাল্যবিয়ে কিশোরীদের নিজের জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বা স্বায়ত্তশাসন কমিয়ে দেয়
Published : 22 Oct 2026, 11:40 PM
বিয়ের বয়সটা কম হলে বদলে যায় জীবনের অনেক কিছু। বাল্যবিয়ের পর একটি মেয়ের নিজের জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগও অনেক ক্ষেত্রে সীমিত হয়ে পড়ে।
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল- ইউএনএফপি-এ বলছে, বাল্যবিয়ে কিশোরীদের নিজের জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বা স্বায়ত্তশাসন কমিয়ে দেয়। বাংলাদেশে অনেক মেয়ের বড় জীবন-সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পরিবারের হাতে থাকে, বিশেষ করে বাবা-মায়ের।
বিয়ের পর এর প্রভাব দেখা যেতে পারে সন্তান নেওয়া বা জন্মনিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্তেও। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা- ডব্লিউএইচও বলছে, খুব অল্প বয়সে বিয়ে করা মেয়েদের সন্তান নেওয়া পিছিয়ে দেওয়া এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবহারের সিদ্ধান্তে স্বায়ত্তশাসন সীমিত থাকার ঝুঁকি থাকে।
এর সঙ্গে যুক্ত হয় চলাফেরা ও প্রয়োজনীয় সেবা নেওয়ার নানা বাধা। ইউএনএফপিএ- এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাল্যবিয়ের শিকার মেয়েদের প্রজনন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা কম থাকতে পারে। চলাফেরার ওপর সীমাবদ্ধতা থাকলে সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।
ইউএনএফপিএ- এর ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে অনেক মেয়ের বড় জীবন-সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ সীমিত। তাই মেয়েদের জীবনদক্ষতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে স্কুলভিত্তিক কর্মসূচির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অর্থাৎ বাল্যবিয়ের প্রভাব প্রভাব পড়তে পারে একটি মেয়ের নিজের ভবিষ্যৎ ও প্রজননস্বাস্থ্য নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগেও।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৭। জেলা: ঢাকা।