'আমাদের জেলায় বাল্যবিয়ের প্রবণতা দেখা যায়। এর অন্যতম কারণ চরাঞ্চল ও যমুনার ভাঙন।'
Published : 03 Sep 2026, 02:58 PM
বাল্যবিয়ে হলে একটি মেয়ের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে বলে মনে করেন সিরাজগঞ্জ সদরের সবুজ কানন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক এস. এম. এনামুল কবীর। হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সঙ্গে আলাপচারিতায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।
হ্যালো: সিরাজগঞ্জে বাল্যবিয়ের মূল কারণগুলো কী বলে আপনি মনে করেন?
এস. এম. এনামুল কবীর: আমাদের জেলায় বাল্যবিয়ের প্রবণতা দেখা যায়। এর অন্যতম কারণ চরাঞ্চল ও যমুনার ভাঙন। এসব এলাকার অনেক পরিবার আর্থিকভাবে অসচ্ছল। তারা মেয়েদের সংসারের বোঝা মনে করে অল্প বয়সেই বিয়ে দিয়ে দেয়।
হ্যালো: বাল্যবিয়ে মেয়েদের পড়াশোনায় কতটা প্রভাব ফেলে?
এস. এম. এনামুল কবীর: অল্প বয়সে বিয়ে হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। তাদের অল্প বয়সেই সংসারের দায়িত্ব নিতে হয়। এতে তাদের ওপর মানসিক চাপ তৈরি হয় এবং নানা ধরনের মানসিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
হ্যালো: বাল্যবিয়ে রোধে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া দরকার বলে আপনি মনে করেন?
এস. এম. এনামুল কবীর: বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করতে হলে সবার আগে সচেতনতা বাড়াতে হবে। সমাজে সুশিক্ষিত নাগরিক তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের পরিধি বাড়াতে হবে। বাল্যবিয়ের ক্ষতিকর দিক নিয়ে স্কুল, পরিবার ও সমাজে নিয়মিত আলোচনা করতে হবে। সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৩ বছর। জেলা: সিরাজগঞ্জ।