আর্থিক টানাপোড়েন আর নিরাপত্তার কথা ভেবে সন্তানকে স্কুলে ভর্তি করা নিয়ে দুশ্চিন্তার কথা জানান তিনি।
Published : 16 Aug 2026, 04:24 PM
প্রায় প্রতি বর্ষায় নদী ভাঙনের কবলে পড়ে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার চর ঢুষমারার বাসিন্দারা। ভিটেমাটির সঙ্গে ফসলের ক্ষেত ও রাস্তাঘাট সবই তলিয়ে যায় নদীগর্ভে।
ভাঙনে এবার নিয়ে চারবার বসতভিটা হারিয়েছেন ৩২ বছর বয়সী ইমানুল। সঙ্গে হারিয়েছেন আবাদ করার জমিও।
ঘোড়ার গাড়ি চালিয়ে চার সদস্যের সংসার চালান তিনি। ঋণ করে আবার চরের মাঝে নতুন ঘর তুলেছেন।
ইমানুলের বড় ছেলে রাহীর বয়স সাত বছর। এবার তাকে স্কুলে ভর্তি করানোর কথা ছিল।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নতুন ঘর থেকে স্কুল অনেক দূরে। বর্ষা এলে চারদিকে পানি জমে যায়।”
আর্থিক টানাপোড়েন আর নিরাপত্তার কথা ভেবে সন্তানকে স্কুলে ভর্তি করা নিয়ে দুশ্চিন্তার কথা জানান তিনি।
হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে ইমানুল বলেন, “বর্ষাকালে চরটি পানিতে ঘেরা থাকে। তখন শিশুদের স্কুলে যাওয়া খুবই কষ্টের। আবার কেউ অসুস্থ হলে চিকিৎসার জন্য নদী পার হয়ে উপজেলা সদরে যেতে হয়। চরে কোনো স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থাও নেই।”
স্থানীয়রা জানান, নদীভাঙনে চর ঢুষমারার বেশিরভাগ বাসিন্দারাই আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। ঘরবাড়ি হারানোর ফলে শিশুদের পড়াশোনাও পড়ছে হুমকির মুখে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১১। জেলা: রংপুর।