আমার অভিজ্ঞতা বলছে, আমাদের দেশে বিজ্ঞানের পাঠ অনেকটাই বইয়ের অধ্যায় ও পরীক্ষার খাতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
Published : 02 Sep 2026, 04:49 PM
বিজ্ঞান আমাদের চারপাশের পৃথিবীকে বুঝতে সাহায্য করে। প্রতিদিন আমরা যে প্রযুক্তি ব্যবহার করি, যে চিকিৎসাসেবা পাই কিংবা নতুন নতুন আবিষ্কারের কথা শুনি এই সবকিছুর পেছনেই রয়েছে বিজ্ঞানের অবদান।
তাই বিজ্ঞান শিক্ষা যেকোনো সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উন্নত দেশগুলোতে বিজ্ঞানকে শিশুদের কাছে আনন্দদায়ক ও সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়। তবে আমাদের দেশের অনেক শিশুর কাছে বিজ্ঞান এখনো একটি কঠিন ও মুখস্থনির্ভর বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে।
তাই আমার মনে হয়, শিশুদের জন্য বিজ্ঞান শিক্ষাকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা প্রয়োজন।
আমার অভিজ্ঞতা বলছে, আমাদের দেশে বিজ্ঞানের পাঠ অনেকটাই বইয়ের অধ্যায় ও পরীক্ষার খাতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ফলে শিশুরা বিজ্ঞানের ব্যবহারিক দিকগুলো ভালোভাবে জানার সুযোগ পায় না। অথচ হাতে-কলমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী এবং বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে বিজ্ঞান শেখানো হলে বিষয়টি তাদের কাছে আরও সহজ ও আনন্দময় হয়ে উঠতে পারে।
বর্তমানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্র দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ গবেষণা এবং বিভিন্ন নতুন প্রযুক্তি ভবিষ্যতের পৃথিবীকে বদলে দিচ্ছে। তাই শিশুদেরও এসব বিষয়ে জানার সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ছোটবেলা থেকেই তাদের মধ্যে বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ ও কৌতূহল গড়ে তুলতে হবে।
তাই আমার বিশ্বাস, বিজ্ঞানকে যদি আনন্দের সঙ্গে শেখানো যায় তাহলে আরও অনেক শিশু বিজ্ঞান নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করবে। ভবিষ্যতে তারাই হয়তো নতুন কোনো আবিষ্কার করবে, নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করবে কিংবা দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় অবদান রাখবে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: ঢাকা।