প্রায় দেড় ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে আমরা কুয়াকাটায় পৌঁছাই।
Published : 03 Sep 2026, 07:13 PM
ভ্রমণ মানুষের মনকে প্রতিদিনের ব্যস্ততা থেকে কিছুটা মুক্তি দেয়। নতুন জায়গা দেখা, প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করা এবং প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দের সময় কাটানোর সুযোগ হয় ভ্রমণের মাধ্যমে।
কিছুদিন আগে পরিবারের সঙ্গে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে গিয়ে এমনই সুন্দর অভিজ্ঞতা হয়েছে আমার।
সেদিন সকাল ৯টার দিকে আমরা কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে রওনা হই। সঙ্গে ছিলেন মা, দুই খালামণি, নানু, চাচি এবং আমার চাচাতো ভাই-বোনেরা। পরিবারের অনেক সদস্য একসঙ্গে যাওয়ায় শুরু থেকেই আনন্দের কোনো কমতি ছিল না।
আমরা মাইক্রোবাসে করে যাত্রা শুরু করি। পথে গান শুনতে আর গল্প করতে করতে যে অনেকটা পথ পেরিয়ে গেল তা বুঝতেই পারিনি।
যাত্রাপথে কয়েকটি সেতু পার হওয়ার সময় নদীর বিস্তীর্ণ জলরাশি, নৌকা ও মাছ ধরার ট্রলার দেখে বেশ ভালো লাগছিল। যাত্রাপথের এসব দৃশ্যও ভ্রমণের আনন্দ বাড়িয়ে দেয়।
প্রায় দেড় ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে আমরা কুয়াকাটায় পৌঁছাই। প্রথমে একটি রিসোর্টে গিয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিই। এরপর সৈকতে যাই। কিছুক্ষণ সেখানে সময় কাটিয়ে আবার রিসোর্টে ফিরে আসি।
রিসোর্টের সুইমিং পুলেও অনেক মজা করেছি। আমরা কেউই ভালোভাবে সাঁতার জানতাম না। তারপরও একে অন্যকে দেখে ও চেষ্টা করতে করতে পানিতে বেশ আনন্দ করেছি।
দুপুরে রিসোর্টেই আমরা একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করি। এরপর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আবার সৈকতে যাই। সেখানে পরিবারের সবাই মিলে অনেক ছবি তুলেছি। দেখতে দেখতে কখন যে সন্ধ্যা নেমে এল টেরই পাইনি।
সন্ধ্যায় মাছের দোকানগুলোর দিকে যাই। সেখানে তাজা মাছের বারবিকিউ খেয়েছি। পাশাপাশি কাজিন ও বন্ধুদের জন্য কিছু উপহারও কিনেছি।
রাতে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হই। সারাদিনের ঘোরাঘুরিতে ক্লান্ত হলেও আমাদের মনে ছিল অনেক সুন্দর সুন্দর স্মৃতি।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৪। জেলা: পটুয়াখালী।