পথশিশুদের শুধু অর্থ দিয়ে সাহায্য করলেই হবে না, তাদের জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।
Published : 29 Sep 2026, 12:55 PM
রাজধানী থেকে শুরু করে মফস্বল শহরের অলিগলিতেও অনেক পথশিশুদের দেখা যায়। যাদের শৈশব কাটার কথা ছিল স্কুলে পড়াশোনা আর খেলাধুলার মধ্যে, তাদের অনেকেই এখন জীবিকার জন্য নানা ধরনের কাজ করছে।
অথচ জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ অনুযায়ী, প্রতিটি শিশুর বেঁচে থাকা, নিরাপত্তা, শিক্ষা ও বিকাশের অধিকার রয়েছে। অথচ বেশিরভাগ পথশিশুই শিক্ষা, পুষ্টিকর খাবার, নিরাপদ আশ্রয় ও চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত।
শীতের ঠাণ্ডা কিংবা বৃষ্টির মধ্যেও অনেক শিশুকে ফুটপাত বা খোলা জায়গায় রাত কাটাতে হয়। কাজের চাপে হারিয়ে যাচ্ছে তাদের খেলাধুলা আর আনন্দে কাটানোর সময়।
পথশিশুদের শুধু অর্থ দিয়ে সাহায্য করলেই হবে না, তাদের জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। তাদের পড়াশোনার সুযোগ তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি নিরাপদ আশ্রয়, খাবার ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। তাদের বিভিন্ন কাজ শেখানোর সুযোগও তৈরি করা যেতে পারে।
একটি দেশের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করে তার শিশুদের ওপর। তাই পথশিশুদেরও পড়াশোনা ও স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ দিতে হবে। তাদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র, সমাজ ও আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৫। জেলা: মাগুরা।