ইটভাটায় কাজ করা এমন দুই শিশুর সঙ্গে কথা হয়েছিল আমার। তাদের অভিজ্ঞতা শুনে বুঝতে পেরেছি, দারিদ্র্য কীভাবে শিশুদের শৈশব কেড়ে নেয়।
Published : 14 Oct 2026, 03:40 PM
যে বয়সে শিশুদের স্কুলে যাওয়ার কথা, বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা করার কথা, সেই বয়সে অনেক শিশুকে পরিবারের অভাবের কারণে কাজে নামতে হয়।
ইটভাটায় কাজ করা এমন দুই শিশুর সঙ্গে কথা হয়েছিল আমার। তাদের অভিজ্ঞতা শুনে বুঝতে পেরেছি, দারিদ্র্য কীভাবে শিশুদের শৈশব কেড়ে নেয়।
রাজু নামের শিশুটি আমাকে বলে, পরিবারের অভাব-অনটনের কারণে তার বাবা-মা তাকে ইটভাটায় কাজে পাঠায়। সেখানে তাকে সারাদিন কাজ করতে হত। যে বয়সে তার পড়াশোনা ও খেলাধুলা করার কথা,সেই বয়সেই পরিবারের প্রয়োজনে তাকে পরিশ্রম করতে হয়েছে।
আরেকজন সবুজ। তার শৈশবে ইটভাটায় কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে বলছিল, 'আমাদের দিয়ে সারাদিন কাজ করাত কিন্তু মজুরি দিত অনেক কম। সেখানে থাকার সময় আমি অজানা এক রোগে আক্রান্ত হই। কোনো উপায় না দেখে শেষ পর্যন্ত পালিয়ে চলে আসি।'
তাদের কথা শুনে বুঝতে পেরেছি, ইটভাটায় শিশুশ্রমের সঙ্গে জড়িয়ে আছে দীর্ঘ সময় কাজ করা, কম মজুরি পাওয়া এবং অসুস্থ হয়ে পড়ার মত অভিজ্ঞতা। কাজের চাপে শিশুদের পড়াশোনা, বিশ্রাম ও খেলাধুলার সুযোগও কমে যেতে পারে।
আমার মনে হয়, পরিবারের অভাবের কারণে কোনো শিশুরই ঝুঁকিপূর্ণ কাজে যুক্ত হওয়া উচিত নয়। প্রতিটি শিশুর স্কুলে যাওয়ার, খেলাধুলা করার এবং নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ থাকা প্রয়োজন।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৩। জেলা: জামালপুর।