বই পড়তে আমার ভালো লাগে। কোনো গল্পের বই হাতে নিলে কখন যে অনেকটা সময় কেটে যায়, তা বুঝতেই পারি না।
Published : 11 Oct 2026, 11:00 PM
বর্তমান সময়ে আমরা দিনের বেশিরভাগ সময়ই মোবাইলফোনে কাটাই। আমিও এর ব্যতিক্রম নই।
পড়াশোনা, বিনোদন কিংবা অবসর অনেক কাজেই এখন মোবাইল বা অন্য ডিজিটাল ডিভাইসের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে স্ক্রিনের বাইরে নিজের জন্য যে সময়টুকু রাখি, তার একটি অংশ আমি বই পড়ার জন্য রাখার চেষ্টা করি।
বই পড়তে আমার ভালো লাগে। কোনো গল্পের বই হাতে নিলে কখন যে অনেকটা সময় কেটে যায়, তা বুঝতেই পারি না। বই আমাকে শুধু আনন্দই দেয় না, নতুন কিছু জানার সুযোগও করে দেয়।
কখনো কোনো গল্প আমাকে নতুনভাবে ভাবতে শেখায়, আবার কখনো কোনো চরিত্র বা ঘটনা আমার কল্পনার জগৎকে আরও বড় করে তোলে।
বই পড়ার সবচেয়ে বড় উপকার আমি পাই আমার কল্পনাশক্তিতে। কোনো গল্প পড়ার সময় লেখকের বর্ণনা থেকে নিজের মতো করে চরিত্র, জায়গা ও ঘটনাগুলো কল্পনা করি। এতে আমার সৃজনশীলভাবে চিন্তা করার অভ্যাস তৈরি হয়।
বই পড়লে নতুন নতুন শব্দও শেখা যায়। নিয়মিত পড়ার কারণে আমার শব্দভান্ডার বাড়ে এবং লেখালেখি বা কথা বলার সময় নিজের ভাবনাগুলো আরও ভালোভাবে প্রকাশ করতে পারি।
বই পড়া মন ভালো রাখতেও সাহায্য করে বলে আমি মনে করি। পড়াশোনা বা অন্য কোনো কারণে মন খারাপ থাকলে কিছু সময় বই পড়লে অন্য একটি জগতে হারিয়ে যাই। এতে মানসিক চাপও কিছুটা কমে।
তাই প্রতিদিন অনেকটা সময় না হলেও ১৫ থেকে ৩০ মিনিট বই পড়ার অভ্যাস করা যেতে পারে। আমার মনে হয়, এই ছোট্ট অভ্যাসটিই আমাদের চিন্তা, কল্পনা ও ভাষাজ্ঞানকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: শেরপুর।