প্রথমত, চুপ করে না থেকে এর বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে পারি।
Published : 21 Oct 2026, 06:30 PM
বুলিং কোনো সাধারণ মজা নয়। এতে একজন শিক্ষার্থী মানসিকভাবে কষ্ট পেতে পারে, এমনকি পড়াশোনায়ও মনোযোগ হারাতে পারে। তাই আমার মতে, কেউ বুলিংয়ের শিকার হলে কয়েকটি কাজ করতে পারি।
প্রথমত, চুপ করে না থেকে এর বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে পারি। যে বুলিং করছে তাকে নিরাপদ মনে হলে তাকে থামতে বলতে পারি। বোঝাতে পারি, তার এই আচরণ ঠিক নয় এবং এতে অন্য একজন কষ্ট পাচ্ছে।
এতে কাজ না হলে বাবা-মা বা অভিভাবককে জানাতে পারি। আমি মনে করি, ভয় বা লজ্জায় ঘটনা লুকিয়ে না রেখে তাদের কাছে খুলে বলা জরুরি। কী ঘটেছে, তা স্পষ্ট করে জানালে তারা প্রয়োজনীয় সাহায্য করতে পারবেন।
বিদ্যালয়ে বুলিংয়ের শিকার হলে শ্রেণিশিক্ষক, প্রধান শিক্ষক বা বিশ্বস্ত কোনো শিক্ষকের সাহায্য নিতে পারি। আর অনলাইনে বুলিংয়ের শিকার হলে বার্তা বা ছবির মত প্রমাণ রেখে অভিভাবকদের জানাতে পারি।
আমি চাই, স্কুলে কেউ যেন বুলিংয়ের ভয়ে চুপ করে না থাকে। প্রত্যেকে যেন নিরাপদ পরিবেশে সম্মান ও আনন্দের সঙ্গে পড়াশোনা করতে পারে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৪ বছর। জেলা: খুলনা।