একটি লেখা পড়ে জেনেছি, ইটভাটার ধোঁয়ার কারণে আশপাশের মানুষের শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও চোখ জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যা হতে পারে।
Published : 07 Oct 2026, 03:40 PM
দেশে নগরায়ণ ও অবকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে বাড়ছে ইটের চাহিদা। আর এই চাহিদা মেটাতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় গড়ে উঠছে ইটভাটা। কিন্তু এসব ইটভাটা আমাদের পরিবেশের জন্য কতটা ক্ষতিকর, তা কি আমরা ভাবছি?
ইটভাটায় কয়লা, কাঠসহ বিভিন্ন জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে নানা ধরনের ক্ষতিকর ধোঁয়া ও দূষিত পদার্থ।
একটি লেখা পড়ে জেনেছি, ইটভাটার ধোঁয়ার কারণে আশপাশের মানুষের শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও চোখ জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা এই দূষণের কারণে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
ইটভাটার কারণে শুধু বায়ুই দূষিত হচ্ছে না, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মাটিও। ইট তৈরির জন্য অনেক সময় কৃষিজমির ওপরের উর্বর মাটি বা টপসয়েল কেটে নেওয়া হয়। এতে জমির উর্বরতা কমে যায় এবং কৃষকের উৎপাদনও ব্যাহত হতে পারে। আবার ইটভাটার ছাই ও বর্জ্য খাল, বিল ও জলাশয়ে গিয়ে পড়লে পানিও দূষিত হয়।
আমার মনে হয়, উন্নয়ন আমাদের প্রয়োজন কিন্তু সেই উন্নয়নের জন্য পরিবেশকে ধ্বংস করা উচিত নয়। ইটভাটায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো, কৃষিজমিতে ইটভাটা স্থাপন বন্ধ করা এবং নিয়ম না মানা ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
পরিবেশ আমাদের সবার। তাই এখন থেকেই ইটভাটার দূষণ কমাতে সচেতন হতে হবে। তা না হলে আজকের এই দূষণের বোঝা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও বহন করতে হবে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: নীলফামারী।