আইন ভাঙলে জরিমানা ও শাস্তির ব্যবস্থাও আছে। কিন্তু শুধু আইন থাকলেই হবে না, এর সঠিক প্রয়োগও দরকার।
Published : 22 Sep 2026, 01:41 PM
পরিবেশের কথা বললে আমরা মাটি, পানি বা বায়ুদূষণের কথা ভাবি। কিন্তু শব্দদূষণের কথা ভাবি কয়জন? অথচ অতিরিক্ত শব্দ আমাদের শরীর ও মনের ক্ষতি করছে প্রতিনিয়ত।
রাস্তায় বের হলেই চারপাশ থেকে ভেসে আসে গাড়ির বিকট হর্নের শব্দ। আবাসিক এলাকার কাছেই অনেক সময় গড়ে উঠছে কলকারখানা। আবার সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানেও গভীর রাত পর্যন্ত মাইক বা স্পিকার বাজানো হয়। এতে ঘরে বসে পড়াশোনা করা, বই পড়া কিংবা একটু বিশ্রাম নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।
অতিরিক্ত শব্দ শুধু বিরক্তির কারণ নয়, এটি আমাদের শরীর ও মনেরও ক্ষতি করতে পারে। ইউনিসেফের ‘নয়েজ অ্যান্ড চিলড্রেনস হেলথ’ নামের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত শব্দ শিশুদের ঘুম, শেখা ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।
শব্দদূষণ কমাতে আমাদের দেশে আইন ও নিয়ম রয়েছে। নির্দিষ্ট সীমার বেশি শব্দ করা হর্ন ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আইন ভাঙলে জরিমানা ও শাস্তির ব্যবস্থাও আছে। কিন্তু শুধু আইন থাকলেই হবে না, এর সঠিক প্রয়োগও দরকার।
শব্দদূষণ কমাতে রাস্তায় অতিরিক্ত জোরে শব্দ করা হর্নের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। আইন অমান্য করলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। আবাসিক এলাকা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে অতিরিক্ত শব্দ হয় এমন কাজ নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। নির্মাণকাজ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও অতিরিক্ত শব্দ করা বন্ধ করতে হবে।
এ ছাড়া সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মাইক ব্যবহারের নিয়ম মানার পাশাপাশি মানুষকেও সচেতন করতে হবে। কারণ একটু সচেতন হলেই অনেক অপ্রয়োজনীয় শব্দ কমানো সম্ভব।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৩। জেলা: জামালপুর।