তার মতে, শিক্ষার্থীদের সচেতন করার পাশাপাশি কোনো শিক্ষার্থী বাল্যবিয়ের ঝুঁকিতে পড়লে দ্রুত প্রশাসনকে জানিয়ে শিক্ষকরা বিয়ে বন্ধে উদ্যোগ নিতে পারেন।
Published : 11 Oct 2026, 09:40 PM
বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে বিদ্যালয়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে বলে মনে করেন নেত্রকোণা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. লুৎফুর হায়দার ফকির।
তার মতে, শিক্ষার্থীদের সচেতন করার পাশাপাশি কোনো শিক্ষার্থী বাল্যবিয়ের ঝুঁকিতে পড়লে দ্রুত প্রশাসনকে জানিয়ে শিক্ষকরা বিয়ে বন্ধে উদ্যোগ নিতে পারেন।
হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি বলেন, তার বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ের খবর পাওয়া গেলে বিষয়টি শিক্ষককে জানানোর জন্য শিক্ষার্থীদের বলা হয়েছে। খবর পাওয়ার পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পুলিশ বা জেলা প্রশাসনের সহায়তায় বাল্যবিয়ে বন্ধে ব্যবস্থা নেয়।
তিনি বলেন, এভাবে উদ্যোগ নিয়ে বিদ্যালয়টি ইতোমধ্যে কয়েকটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে। এ কাজে পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের কাছ থেকেও সহযোগিতা পাওয়া যায়।
অধ্যক্ষ জানান, শুধু বাল্যবিয়ের খবর পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়াই নয়, শিক্ষার্থীদের আগেই সচেতন করার উদ্যোগও নেওয়া হয়। এ জন্য দুই থেকে তিন মাস পরপর বিদ্যালয়ে বাল্যবিয়ের ক্ষতিকর দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
তার মতে, বাল্যবিয়ের কারণে মেয়েদের পড়াশোনা বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি তাদের জীবনে নানা সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই বাল্যবিয়ে রোধে শিক্ষক, অভিভাবক ও সমাজের সচেতন মানুষদের পাশাপাশি বিদ্যালয়কেও দায়িত্ব নিতে হবে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৪। জেলা: নেত্রকোণা।