Hello
UNICEF
  • হোম
  • হ্যালো
  • খবরাখবর
  • অন্য চোখে
  • আমার কথা
  • কথায় কথায়
  • ছবির ভাষা
  • সব খবর
English English
  • হোম
  • হ্যালো
  • খবরাখবর
  • অন্য চোখে
  • আমার কথা
  • কথায় কথায়
  • ছবির ভাষা
  • সব খবর
হ্যালো

গবেষণা প্রতিযোগিতায় শিখেছি অনেক কিছু

ষষ্ঠ শ্রেণিতে বড় আপুদের সাফল্য দেখে যে আগ্রহ তৈরি হয়েছিল, সেটাই আমাকে এই গবেষণার মঞ্চে নিয়ে এসেছে।

গবেষণা প্রতিযোগিতায় শিখেছি অনেক কিছু

সুমাইয়া জাহিদ রুদানা

Published : 27 Sep 2026, 02:11 PM

Updated : 27 Sep 2026, 01:10 PM

আমি যখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি তখন আমাদের স্কুলের কয়েকজন বড় আপু একটি গবেষণা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হন। তাদের সাফল্য দেখে আমারও খুব আগ্রহ তৈরি হয়। মনে মনে ভাবতে থাকি, আমিও একদিন এমন একটি আয়োজনে অংশ নেব।

পরের বছর সেই সুযোগ আসে। ২০২৫ সালে ‘চিন্তার চাষ’ নামের একটি গবেষণাভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ‘ক্ষুদে গবেষক সম্মেলন’ আয়োজন করে। আমিও এতে অংশ নিই। আমাদের দলের নাম ছিল আরএএন-১৭। আমি ছিলাম দলনেতা। আমার সঙ্গে ছিল মালিহা আমবারিন ও কাজী আল ওয়াসী।

ইভেন্টটির প্রস্তুতির জন্য আমাদের কয়েকটি সেমিনারে অংশ নিতে হয়েছিল। প্রথমে গবেষণার বিষয় নির্বাচন করি। এরপর তথ্য সংগ্রহ, নিজেদের ভাবনা নিয়ে আলোচনা এবং গবেষণার কাজ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাই।

আমাদের গবেষণার বিষয় ছিল ‘শব্দ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন: সৈয়দপুর শহরের শব্দদূষণ প্রেক্ষাপটে একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ’। গবেষণাটি নির্বাচিত হওয়ার পর সৈয়দপুর থেকে ঢাকায় গিয়ে চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিই। সেই বার আমরা রানার্সআপ হই।

এই অভিজ্ঞতার পর গবেষণার প্রতি আমার আগ্রহ আরও বেড়ে যায়। তাই ২০২৬ সালেও আবার অংশ নিই। এবার আমাদের দলের নাম ছিল আরএএন-৫০। আমি এবারও দলনেতা। আমার সঙ্গে ছিল আগের সহযোদ্ধা মালিহা এবং নতুন সদস্য আয়ান রিজভী।

আগের বার আমরা শব্দদূষণ নিয়ে ভেবেছিলাম, আর এবার ভাবছি সড়কের নিরাপত্তা নিয়ে। বিষয় আলাদা হলেও আমাদের উদ্দেশ্য একই। চারপাশের বাস্তব কোনো সমস্যা খুঁজে বের করা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাহায্যে তার একটি সম্ভাব্য সমাধান ভাবা।

এবারও সেমিনার, আলোচনা, তথ্য সংগ্রহ ও গবেষণার মধ্য দিয়ে আমরা চূড়ান্ত পর্বের জন্য নির্বাচিত হয়েছি। গতবারের অভিজ্ঞতা এবার আমাদের অনেক কাজে দিয়েছে। কীভাবে গবেষণার বিষয় নির্বাচন করতে হয়, তথ্য সংগ্রহ করতে হয় এবং দলের সবাই মিলে কাজ করতে হয়, তা আগের চেয়ে ভালোভাবে বুঝতে পেরেছি।

ষষ্ঠ শ্রেণিতে বড় আপুদের সাফল্য দেখে যে আগ্রহ তৈরি হয়েছিল, সেটাই আমাকে এই গবেষণার মঞ্চে নিয়ে এসেছে। এখন মনে হয়, সেই ছোট্ট আগ্রহটাই আমার জন্য নতুন কিছু শেখার এবং নিজের চিন্তা নিয়ে কাজ করার একটি বড় সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

প্রতিবেদকের বয়স: ১৪। জেলা: নীলফামারী।
এ সম্পর্কিত খবর
তিন প্রজন্ম ধরে একই নিয়মে চলছে যে রেস্তোরাঁ
তিন প্রজন্ম ধরে একই নিয়মে চলছে যে রেস্তোরাঁ
অবহেলার কষ্ট নিয়ে বেড়ে উঠছে হরিজন শিশুরা
অবহেলার কষ্ট নিয়ে বেড়ে উঠছে হরিজন শিশুরা
শিশুশ্রম ও বাল্যবিয়ে রোধে সচেতনতায় নীলফামারীতে সাইকেল শোভাযাত্রা
শিশুশ্রম ও বাল্যবিয়ে রোধে সচেতনতায় নীলফামারীতে সাইকেল শোভাযাত্রা
নীলফামারীতে পাঁচ দিনব্যাপী স্কাউট সমাবেশ
নীলফামারীতে পাঁচ দিনব্যাপী স্কাউট সমাবেশ

Follow us:

  • হ্যালো
  • লিঙ্গ সমতা
  • জলবায়ু পরিবর্তন
  • ইতিহাস
  • খবরাখবর
  • ছবির ভাষা
  • শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন
  • ক্যারিয়ার
  • অন্য চোখে
  • স্বাস্থ্য ও পুষ্টি
  • ভিডিও
  • শিক্ষাঙ্গন
  • আমার কথা
  • বাল্যবিয়ে
  • তারকা শিশু
  • বিশ্বজুড়ে
  • কথায় কথায়
  • শিশুশ্রম
  • সাময়িকী
  • সব খবর

Copyright © 2026, bdnews24