স্থানীয়রা জানান, বাংলাদেশে আবিষ্কৃত নবরত্ন মন্দিরসমূহের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড়।
Published : 31 Aug 2026, 05:56 PM
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল গ্রামে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে শতাব্দী প্রাচীন নবরত্ন মন্দির। ঐতিহাসিক এই প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানটি ঘুরে দেখার ইচ্ছে ছিল অনেক দিন ধরে।
অবশেষে কিছুদিন আগে সেখানে যাওয়া হয়। সঙ্গে ছিলেন আমার মামা ও তার এক বন্ধু।
আমরা দুপুর দুইটার দিকে আমাদের বাড়ি থেকে যাত্রা শুরু করি। আমাদের বাড়ি জেলা সদরে। এখান থেকে নবরত্ন মন্দিরের দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার।
সিএনজি চালিত অটোরিকশা যোগে সেখানে পৌঁছাতে আমাদের ৪০ মিনিটের মত সময় লাগে।
মন্দিরে প্রবেশের জন্য প্রধান প্রবেশদ্বারে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা দর্শনার্থী নিবন্ধন খাতায় আমাদের নাম লিপিবদ্ধ করেন। এরপর আমরা ভেতরে প্রবেশ করি।
ভেতরে প্রবেশের পর মন্দিরের দেয়ালে দেয়ালে আঁকা নান্দনিক নকশা আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। আমরা দেয়ালে খোদাই করা এসব কারুকাজ আমরা খুব মনোযোগ দিয়ে দেখতে থাকি। এছাড়া মন্দিরের বাইরের পরিবেশও ছিল খুব শান্ত ও মনোরম।
এত পুরনো একটি স্থাপনা আজও এত সুন্দরভাবে সংরক্ষিত রয়েছে, এটি দেখে আমি সত্যিই বিস্মিত হয়েছি।
স্থানীয়রা জানান, বাংলাদেশে আবিষ্কৃত নবরত্ন মন্দিরসমূহের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড়।
আমরা সেখানে প্রায় দুই ঘণ্টা অবস্থান করি। এ সময় স্থানীয় এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হয়। তিনি আমাদের মন্দিরটি ঘুরে দেখান এবং ছবি তুলতে সাহায্য করেন ।
মন্দিরটি বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। আমাদের সবকিছু ঘুরে দেখা ও ছবি তুলতে তুলতে মন্দির খোলা রাখার সময় শেষ হয়। তাই আমরাও বিকেল ৫টায় মন্দির প্রাঙ্গণ ত্যাগ করি।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৫। জেলা: সিরাজগঞ্জ।