বাল্যবিয়ের কারণে অনেক মেয়ের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়।
Published : 01 Sep 2026, 11:52 AM
বাংলাদেশে বাল্যবিয়ে এখনো একটি বড় সামাজিক সমস্যা। নানা জরিপ আর গবেষণাতেও দেখা যায় এর ভয়াভহতা।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফের ২০২৫ সালের এমআইসিএস জরিপ বলছে, আমাদের দেশে ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীদের ৪৭ দশমিক ২ শতাংশের বিয়ে ১৮ বছর হওয়ার আগেই হয়েছে।
দারিদ্র্য, শিক্ষার সুযোগের অভাব, সামাজিক চাপ ও মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে অনেক পরিবার অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেয়। বাল্যবিয়ের কারণে অনেক মেয়ের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। এতে তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সম্ভাবনাও বাধাগ্রস্ত হয়।
দেশের আইনে মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং ছেলেদের ২১ বছর। বাল্যবিয়ে রোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি।
আমার বিশ্বাস, মেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা, পরিবারকে সচেতন করা এবং স্থানীয় পর্যায়ে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে এই সমস্যা কমানো সম্ভব।
প্রতিটি শিশুর নিরাপদ শৈশব ও শিক্ষার অধিকার রয়েছে। তাই বাল্যবিয়ে রোধে পরিবার ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৫। জেলা: পটুয়াখালী।