বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সিসা শিশুদের বিকাশমান মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে।
Published : 26 Aug 2026, 10:56 AM
শিশুর খেলনা হাতে তুলে দেওয়ার আগে সেটি কতটা নিরাপদ, তা ভাবা জরুরি। কারণ রঙিন প্লাস্টিকের খেলনায় থাকা সিসা চোখে দেখা যায় না, অথচ এর সংস্পর্শ শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
ইউনিসেফ বাংলাদেশ বলছে, দূষিত খেলনা শিশুদের সিসার সংস্পর্শের সাধারণ উৎসগুলোর একটি। ছোট শিশুরা প্রায়ই হাত ও বিভিন্ন বস্তু মুখে দেয়। ফলে সিসাযুক্ত জিনিসের সংস্পর্শে এলে তাদের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
শিশুদের প্লাস্টিকের খেলনা নিয়ে ২০২৫ সালে একটি গবেষণা ফলাফল তুলে ধরে পরিবেশবাদী সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন- এসডো ।
এতে দেখা গেছে, শিশুর ব্যবহৃত ৫৯ শতাংশ পণ্যে ৯০ পিপিএমের অধিক মাত্রার সিসা রয়েছে। এ মাত্রার উপস্থিতি ১ হাজার ৩৭০ পিপিএম পর্যন্ত।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সিসা শিশুদের বিকাশমান মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে শেখার ক্ষমতা, বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ও আচরণে।
শিশুদের সিসার সংস্পর্শের সম্ভাব্য উৎস হিসেবে খেলনার পাশাপাশি খসে পড়া রং, কিছু মসলা, অনুমোদনহীন কবিরাজি বা ভেষজ ওষুধের কথাও জানিয়েছে ইউনিসেফ।
তাই শিশুর জন্য খেলনা কেনার সময় শুধু রং, দাম বা দেখতে সুন্দর কি না, সেটাই নয়। খেলনাটি নিরাপদ কি না, সেই তথ্যও গুরুত্ব দিয়ে দেখা জরুরি।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: ঢাকা।