বোটানিক্যাল গার্ডেনে আমাকে সবচেয়ে বেশি অবাক করেছে বাঁশের ঝাড়।
Published : 27 Aug 2026, 05:02 PM
কিছুদিন আগে মিরপুরের জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানে ঘুরতে গিয়েছিলাম। যে উদ্যানটি ‘বোটানিক্যাল গার্ডেন' নামেই বেশি পরিচিত।
দুপুরের দিকে সেখানে পৌঁছে ৩০ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে ভেতরে প্রবেশ করি। তখন প্রখর রোদ থাকায় গরমে খানিকটা অস্বস্তি হচ্ছিল। তবে ধীরে ধীরে আকাশ মেঘলা হয়ে যাওয়ায় উদ্যানে ঘুরে বেশ প্রশান্তি পেয়েছি।
বোটানিক্যাল গার্ডেনে আমাকে সবচেয়ে বেশি অবাক করেছে বাঁশের ঝাড়। বাঁশেরও যে এত ধরনের জাত আছে, তা আগে জানতাম না।
এ ছাড়াও দেখেছি শাপলা বিল, গোলাপ বাগান ও ক্যাকটাস হাউজ। ঘুরতে গিয়ে দুর্লভ প্রজাতির কিছু গাছও চোখে পড়েছে। এমন অনেক গাছ দেখেছি, যেগুলো আগে কখনো দেখিনি, এমনকি নামও জানতাম না।
উদ্যানের ভেতরে হাঁটার সময় নানা বর্ণের কাঠবিড়ালিও দেখেছি। গাছপালা আর সবুজের মাঝে হাঁটতে হাঁটতে মনে হচ্ছিল, শহরের ব্যস্ততা থেকে অনেকটা দূরে চলে এসেছি। এটা যেন সবুজের নীরব এক রাজ্য।
উদ্যানটি বেশ বড়। অনেকক্ষণ হাঁটার পর পা ব্যথা হয়ে গিয়েছিল। তারপরও ঘোরার সময়টা বেশ উপভোগ করেছি।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: ঢাকা।