শ্রীমঙ্গলের কথা মনে হলেই প্রথমে চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিস্তীর্ণ চা-বাগান।
Published : 30 Aug 2026, 05:27 PM
বেশ কয়েক মাস আগের কথা। বার্ষিক পরীক্ষা শেষে পরিবারের সঙ্গে সিলেট ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়। এরপর নির্ধারিত দিনে যাত্রা শুরু করি আমরা।
সেদিন আমরা সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ট্রেনে চড়ে রওনা হয়েছিলাম। আট ঘণ্টার ভ্রমণ শেষে সবাই মিলে সিলেটে পৌঁছাই। সিলেট যাওয়ার পথেই লাউয়াছড়া উদ্যান দেখা হয়ে যায় আমাদের।
এরপর সিলেট শহর থেকে সাদা পাথর যাওয়ার পথে চোখে পড়ে মালনীছড়া চা-বাগান।
সিলেটের ভোলাগঞ্জে অবস্থিত সাদা পাথর যেন এক নয়নাভিরাম স্থান। স্বচ্ছ পানির নিচে দেখা যায় সাদা পাথর, যা সূর্যের আলোয় ঝলমল করে।
এরপর আমরা যাই লালাখাল। সিলেটের জৈন্তাপুরে অবস্থিত এই স্থানে আমরা নৌভ্রমণ করেছি। এখানের পানিও কাঁচের মত স্বচ্ছ। এখান থেকে আমরা ভারতের মেঘালয়ের পাহাড় স্পষ্ট দেখতে পাই।
নদী, পাথর আর সবুজ প্রকৃতি মিলে এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখতে পেয়েছি জাফলংয়ে। সীমান্তের ওপারে দেখা যায় ডাউকি সেতু, কাছেই খাসিয়া পল্লী। সেখান থেকে ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে যায় আমাদের।
পরদিন সকালের গন্তব্য ছিল শ্রীমঙ্গল। শ্রীমঙ্গলের কথা মনে হলেই প্রথমে চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিস্তীর্ণ চা-বাগান। তারপর আমরা সাত রংয়ের চা পান করি।
পরদিন সকালে আমরা ট্রেনে করে বাড়ির পথ ধরি। ফেরার পথে মনে হল, যেন স্বপ্নের মত একটি জায়গা থেকে ফিরছি।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৩। জেলা: ঢাকা।