Hello
UNICEF
  • হোম
  • হ্যালো
  • খবরাখবর
  • অন্য চোখে
  • আমার কথা
  • কথায় কথায়
  • ছবির ভাষা
  • সব খবর
English English
  • হোম
  • হ্যালো
  • খবরাখবর
  • অন্য চোখে
  • আমার কথা
  • কথায় কথায়
  • ছবির ভাষা
  • সব খবর
হ্যালো

ঢাকার নবাবদের প্রাসাদে এক বিকেল

নবাবদের কক্ষ, পুরোনো আসবাবপত্র, ঐতিহাসিক ছবি ও নানা সংগ্রহ দেখে মনে হচ্ছিল আমি যেন ইতিহাসের পাতায় চলে গেছি।

ঢাকার নবাবদের প্রাসাদে এক বিকেল

বিডিনিউজ২৪

রাবি আস সানি

হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 26 Aug 2026, 09:30 AM

Updated : 11 Sep 2026, 03:54 PM

কয়েকদিন আগের কথা। ছুটির এক দুপুরে বাবা বললেন, 'আজ কোথায় ঘুরতে যাওয়া যায়?'

জবাবে মা বললেন, তার অনেক দিনের ইচ্ছে আহসান মঞ্জিল ঘুরে দেখার। আমিও মায়ের কথায় সায় দিলাম। আর এভাবেই আহসান মঞ্জিলে ঘুরে আসার পরিকল্পনা হয়ে যায় আমাদের।

আমরা বিকেল চারটার দিকে আহসান মঞ্জিলের ফটকে পৌঁছাই। সেখানে পৌঁছে প্রথমেই টিকেটের লাইনে দাঁড়াতে হয়। কিন্তু মাত্র দুইটি কাউন্টার খোলা থাকায় আমাদের অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে।

লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার সময় একটি ভালো অভিজ্ঞতা হয়। এক বিদেশি পর্যটক ভাষাগত সমস্যার কারণে টিকেট কিনতে পারছিলেন না। আমি এগিয়ে গিয়ে তাকে টিকিট কিনতে সাহায্য করি এবং বাকি টাকাও ঠিকমতো বুঝিয়ে দিই।

তিনি হাসিমুখে আমাকে ধন্যবাদ জানান। একজন অতিথিকে সাহায্য করতে পেরে আমার খুব ভালো লেগেছে।

ভেতরে ঢোকার পর আহসান মঞ্জিলের সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করে। নবাবদের কক্ষ, পুরোনো আসবাবপত্র, ঐতিহাসিক ছবি ও নানা সংগ্রহ দেখে মনে হচ্ছিল আমি যেন ইতিহাসের পাতায় চলে গেছি।

মঞ্জিলের তথ্যফলক থেকে জানা যায়, এই এলাকাটি ইসলামপুরের কুমারটুলী নামে পরিচিত ছিল। অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় জালালপুর পরগণার জমিদার শেখ এনায়েতউল্লাহ এখানে 'রংমহল' নামে এক প্রমোদভবন তৈরি করেন।

শেখ এনায়েতউল্লাহর মৃত্যুর পর তার ছেলে মতিউল্লাহর কাছ থেকে এটি ফরাসিরা কিনে নিয়ে এখানে একটি বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।

এরপর ১৮৩০ সালে ঢাকার নওয়াব পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা খাজা আলীমুল্লাহ ফরাসিদের কাছ থেকে কুঠিবাড়িটি কিনে নেন এবং সংস্কার করে এটিকে একটি আবাসিক ভবনে রূপ দেন।

পরবর্তীতে তার ছেলে আবদুল গনি আধুনিক নকশায় সেখানে নতুন একটি প্রাসাদ নির্মাণ করেন এবং নিজের ছেলে খাজা আহসানউল্লাহর নামানুসারে এর নাম রাখেন ‘আহসান মঞ্জিল’।

১৮৮৮ সালের ৭ এপ্রিল এক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে আহসান মঞ্জিলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। পরে সংস্কারের সময় বর্তমানে যে সুদৃশ্য গম্বুজটি দেখা যায়, সেটি সংযোজন করা হয়।

পঞ্চাশের দশকে নবাব হাবিবুল্লাহ প্রাসাদটি ছেড়ে চলে গেলে সংস্কারের অভাবে তা জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে।

তবে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব বুঝে ১৯৮৫ সালে সরকার অধিগ্রহণ করে সংস্কার করে। ১৯৯২ সাল থেকে এটি জাতীয় জাদুঘরের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

প্রথমবার এত কাছ থেকে বাংলাদেশের এমন একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা দেখার অভিজ্ঞতা সত্যিই দারুণ ছিল।

প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: ঢাকা।

এ সম্পর্কিত খবর
‘বাল্যবিয়ে রোধে সরকারকে আরও কঠোর হতে হবে’
‘বাল্যবিয়ে রোধে সরকারকে আরও কঠোর হতে হবে’
সিলেটে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
সিলেটে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
ডেঙ্গু রোধে টাঙ্গাইলে সন্তোষ জাহ্নবী স্কুলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
ডেঙ্গু রোধে টাঙ্গাইলে সন্তোষ জাহ্নবী স্কুলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও বাল্যবিয়ের ঝুঁকি বাড়ায়’
‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও বাল্যবিয়ের ঝুঁকি বাড়ায়’

Follow us:

  • হ্যালো
  • লিঙ্গ সমতা
  • জলবায়ু পরিবর্তন
  • ইতিহাস
  • খবরাখবর
  • ছবির ভাষা
  • শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন
  • ক্যারিয়ার
  • অন্য চোখে
  • স্বাস্থ্য ও পুষ্টি
  • ভিডিও
  • শিক্ষাঙ্গন
  • আমার কথা
  • বাল্যবিয়ে
  • তারকা শিশু
  • বিশ্বজুড়ে
  • কথায় কথায়
  • শিশুশ্রম
  • সাময়িকী
  • সব খবর

Copyright © 2026, bdnews24