অনেক পুরোনো সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন, নানা জিনিসপত্রের মাঝে এক জায়গায় পুরোনো একটি টাইপ রাইটার মেশিন দেখেছি।
Published : 26 Aug 2026, 09:31 AM
প্রযুক্তির এই যুগেও চিঠি আমার অনেক প্রিয়। আমি এখনো অনেক বন্ধুকে চিঠি পাঠাই। তারাও আমাকে চিঠি পাঠায়। আবার চিঠি আদান-প্রদানের মাধ্যমে নতুন বন্ধুও বানাই। তাই নতুন ও পুরোনো ডাকটিকিটের প্রতি আমার আগ্রহ অনেক বেশি।
এ বছরের এপ্রিলে রাজধানীর সেচ ভবন মিলনায়তনে দিনব্যাপী ‘ফিলাটেলিক মেলা’র আয়োজন করে ‘বাংলাদেশ ফিলাটেলিক ক্লাব’। মেলায় দেশি-বিদেশি নতুন ও পুরোনো ডাকটিকিট, মুদ্রা, স্মারক ব্যাজ, সংবাদপত্র কিংবা নান্দনিক ছাপার বিভিন্ন প্রকাশনা ইত্যাদি প্রদর্শন করা হয়।
এই মেলা নিয়ে আমি খুব আগ্রহী ছিলাম। তাই সকালেই মেলায় চলে যাই। পৌঁছে দেখি মেলায় ১৫টি স্টল রয়েছে। এর প্রায় সবগুলোতেই দেশি-বিদেশি দিয়াশলাইয়ের বাক্স, ডাকটিকিট, খাম ও ব্যাংক নোট দেখতে পাই।
এছাড়াও দেখতে পেয়েছি বাংলাদেশের পুরোনো সব ডাকটিকিট। একটি করে সবগুলো ডাকটিকিট সংগ্রহ করলে দাম প্রায় দেড় লাখ টাকার মত হবে বলে জানতে পারি।
এর মাধ্যমে বুঝতে পারি সব পুরোনো জিনিসের দাম কমে যায় না। ঐতিহাসিক মূল্য থাকলে বরং সব জিনিসের দাম সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে।
অনেক পুরোনো সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন, নানা জিনিসপত্রের মাঝে এক জায়গায় পুরোনো একটি টাইপ রাইটার মেশিন দেখেছি। জিজ্ঞেস করে জানতে পারি এর দাম ছয় হাজার টাকা।
তারপর নানা দেশের ব্যাংক নোট দেখলাম। সারাদেশ থেকে ছোট-বড় অনেক সংগ্রাহক তাদের সংগ্রহ নিয়ে মেলা এসেছিলেন। তাদের অনেকে মেলা থেকে নানা জিনিস কিনে নিজের সংগ্রহকে সমৃদ্ধও করেছেন।
কয়েকজন সংগ্রাহকের সঙ্গে কথাও হয়েছে আমার।
মেলা থেকে তিনটি ডাকটিকিট কিনে দুপুরের দিকে বাসায় ফিরে আসি।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৫। জেলা: ঢাকা।