শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকাকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন অধ্যাপক মো. আব্দুস সালাম।
Published : 31 Aug 2026, 05:10 PM
প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে শিশুদের হাতেও স্মার্টফোন ও কম্পিউটারসহ নানা ডিজিটাল ডিভাইস পৌঁছে গেছে। তাই শিশুর সৃজনশীলতা বিকাশে এসব প্রযুক্তিতে কাজে লাগাতে হবে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মো. আব্দুস সালাম।
হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “শিশুদের শুধু প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ করে তুললেই হবে না, এর সৃজনশীল ব্যবহারও শেখাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে কনটেন্ট রাইটিং, ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট তৈরি, বিভিন্ন সমস্যা সমাধানসহ উদ্ভাবনী কাজে শিশুদের যুক্ত করা যেতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক ও হাতে-কলমে শেখার সুযোগও প্রয়োজন।”
তার মতে, শিশুর বয়স ও মানসিক বিকাশের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে প্রযুক্তি ব্যবহারের সঙ্গে বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা জরুরি।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের শিশুরা প্রযুক্তির আসক্তির দিকে যায় কিন্তু উদ্ভাবনের দিকে যায় না। এটি আমাদের জন্য একটি ব্যর্থতা।”
শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকাকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন এই শিক্ষক।
তার ভাষায়, “বিদ্যালয়ে পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম, সৃজনশীল উদ্যোগ ও উদ্ভাবনী প্রকল্পের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। এতে শিশুরা প্রযুক্তির পাশাপাশি নিজেদের চিন্তা ও কল্পনাশক্তিকেও কাজে লাগানোর সুযোগ পাবে।”
প্রযুক্তি আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “শিশুদের প্রযুক্তি থেকে দূরে না রেখে এর সঠিক ও সৃজনশীল ব্যবহার শেখাতে হবে। প্রযুক্তির ভোক্তা হওয়ার পাশাপাশি শিশুরা যেন ভবিষ্যতে সৃজনশীল নির্মাতা ও উদ্ভাবক হয়ে উঠতে পারে, সেদিকে আমাদের নজর দেওয়া প্রয়োজন।”
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: ঢাকা।