দীর্ঘ ১৪ ঘণ্টা ভ্রমণের পর আমরা কক্সবাজারে পৌঁছাই।
Published : 31 Aug 2026, 04:39 PM
আমার মা শেপুরের একটি কলেজে শিক্ষকতা করেন। তার প্রতিষ্ঠান থেকে এবার কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে শিক্ষাসফরের আয়োজন করা হয়। মায়ের সঙ্গে আমিও এই সফরে অংশ নিই।
ভ্রমণের আগের দিন আমরা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুছিয়ে প্রস্তুত করে রাখি। পরদিন মায়ের কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারীদের সঙ্গে বাসে উঠে শুরু হয় আমাদের যাত্রা।
দীর্ঘ ১৪ ঘণ্টা ভ্রমণের পর আমরা কক্সবাজারে পৌঁছাই। হোটেলে পৌঁছে পরিচ্ছন্ন হয়ে দুপুরের খাবার খাই। তারপর বিকেলে আমরা সৈকতে যাই।
বিশাল সমুদ্র আর ঢেউ দেখে আমার খুব ভালো লাগে। সন্ধ্যার দিকে হোটেলে ফিরে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি।
পরদিন সকালে নাশতা করে আমরা কক্সবাজার থেকে মহেশখালী যাওয়ার জন্য ইঞ্জিনচালিত নৌকায় উঠি। প্রায় এক ঘণ্টা পর সেখানে পৌঁছাই। পার্বত্য দ্বীপটিতে আমরা অটোরিকশায় করে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরি।
এরপর আমরা মহেশখালীর সোনার মন্দির দেখতে যাই। মন্দিরের আশপাশের পরিবেশ আমার কাছে বেশ সুন্দর লেগেছে। জায়গাটি অনেক লোকজনের সমাগমে মুখর ছিল। পরে আমরা সেখানকার বাজারে কেনাকাটা করি। মায়ের কয়েকজন সহকর্মী মাছের শুঁটকি কেনেন। সেখান থেকে ঘাটে ফেরার পথে আমরা লবণের ঘের দেখতে পাই।
রাতে আমরা একটি অ্যাকুয়ারিয়ামে ঘুরতে যাই। সেখানে বিভিন্ন ধরনের মাছ ও জলজ প্রাণী দেখতে পাই। এত বৈচিত্র্যময় মাছ একসঙ্গে দেখে আমার বেশ ভালো লেগেছে।
তৃতীয় দিন বিকেলে আমরা ইনানী সৈকতের উদ্দেশ্যে রওনা হই। সেখানে কিছু সময় ঘোরাঘুরি করি। সমুদ্রের ঢেউ ও পাথরের সৌন্দর্য উপভোগ করি। সন্ধ্যার দিকে হোটেলে ফিরে জিনিসপত্র গুছিয়ে ফেরার জন্য বাসে চড়ে বসি।
প্রতিবেদকের বয়স: ১২। জেলা: শেরপুর।