বাল্যবিয়ের প্রভাব শুধু তার শরীরেই পড়েনি তার মানসিক স্বাস্থ্যেও পড়ে।
Published : 30 Aug 2026, 07:50 PM
আমি শেরপুর সদর উপজেলায় থাকি। আমাদের বাড়ির পাশে এক কিশোরী ছিল। পড়াশোনা করতে ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে সে খুব পছন্দ করত। কিন্তু অল্প বয়সেই পরিবার তাকে বিয়ে দিয়ে দেয়।
বিয়ের পর তার জীবন অনেকটাই বদলে যায়। যে বয়সে তার স্কুলে যাওয়ার কথা, বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা ও আনন্দ করার কথা সেই বয়সেই তাকে সংসারের দায়িত্ব নিতে হয়।
কিছুদিন পর মেয়েটি মা হয়। তখন সংসার ও সন্তানের দায়িত্ব সামলানো তার জন্য খুব কঠিন হয়ে পড়ে। সন্তান জন্মের সময়ও তাকে নানা শারীরিক জটিলতার মুখোমুখি হতে দেখেছি।
বাল্যবিয়ের প্রভাব শুধু তার শরীরেই পড়েনি তার মানসিক স্বাস্থ্যেও পড়ে। নিজের বয়সী মেয়েদের যখন স্কুলে যেতে দেখত, তখন তার মন খারাপ হয়ে যেত। পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া, নিজের পায়ে দাঁড়ানো কিংবা ভবিষ্যতে কিছু করার যে স্বপ্নগুলো তার ছিল সেগুলো সে ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলে।
এই ঘটনা আমাকে অনেক ভাবিয়েছে। একটি মেয়ের শৈশব, পড়াশোনা ও স্বপ্ন এভাবে থেমে যাওয়া কখনোই কাম্য নয়।
আমার মনে হয়, বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে পরিবার থেকেই সচেতনতা শুরু করতে হবে। পাশাপাশি সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৪। জেলা: শেরপুর।