বিশাল রান তাড়ায় এবারও লড়াই জমাতেই পারল না স্বাগতিকরা।
Published : 18 Sep 2026, 09:19 PM
শতরানের উদ্বোধনী জুটিতে দলকে শক্ত ভিত গড়ে দিলেন মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেড। মার্শ ফিফটি করে থামলেও, আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি করলেন হেড। পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস খেলেন কুপার কনোলিও। পরে তিনি ও অন্য স্পিনারদের দারুণ বোলিংয়ে জিম্বাবুয়েকে আরেকবার অনায়াসে হারিয়ে সিরিজ জয় নিশ্চিত করল অস্ট্রেলিয়া।
হারারেতে শুক্রবার দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার জয় ৮৪ রানে। আগে ব্যাটিং করে ৩৫৬ রান করে সফরকারীরা। পরে জিম্বাবুয়েকে ২৭২ রানে গুটিয়ে দেয় তারা।
তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটি ৫৯ রানে জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া।
দুই বছর পর ঘরের বাইরে কোনো দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ জিতল তাসমান সাগর পারের দলটি। এই সময়ে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মাটিতে হেরেছিল তারা।
অস্ট্রেলিয়ার শুরুর জুটিতে আসে ১৩০ রান। যেখানে তিনটি করে ছক্কা-চারে ৫৩ রান করেন মার্শ। তিনটি ছক্কা ও ১৫টি চারে ৮৪ বলে ১১২ রানের ইনিংস খেলেন হেড।
ইনিংসটির পথে ৭৫ বলে সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি ওপেনার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানদের মধ্যে যা দ্রুততম। হেড পেছনে ফেলেন আগের ম্যাচে ম্যাট রেনশর করা ৮৬ বলের শতককে।
তিনে নেমে তিনটি করে ছক্কা-চারে ৬৯ বলে ৭৮ রান করেন কনোলি। পরে বাঁহাতি স্পিনে ২৫ রান দিয়ে নেন দুই উইকেট। আগের ম্যাচেও ফিফটি (৫১) করেছিলেন তিনি, সঙ্গে ধরেছিলেন এক শিকার।
অফ স্পিনে দুটি উইকেট নেন রেনশ। অভিজ্ঞ লেগ স্পিনার অ্যাডাম জ্যাম্পারও প্রাপ্তি দুটি। অফ স্পিনে একটি শিকার ধরেন অলিভার পিক।
প্রায় এক বছর পর ওয়ানডে খেলতে নামা জশ হেইজেলউড ৪৮ রান খরচায় উইকেট নেন দুটি। ২০২৫ সালের অক্টোবরে এই সংস্করণে সবশেষ খেলেছিলেন অভিজ্ঞ পেসার।
জিম্বাবুয়ের প্রথম ছয় ব্যাটসম্যানই পান ভালো শুরু। কিন্তু একজনও পঞ্চাশ ছুঁতে পারেননি। তাদের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৪৫ রান আসে সিকান্দার রাজার ব্যাট থেকে।
বিস্তারিত আসছে…